
চলতি সপ্তাহে এশিয়ার শীর্ষ রফতানিকারক দেশগুলোয় চালের দাম বেড়েছে। চাহিদা বাড়ায় খাদ্যশস্যটির দামে এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ভিয়েতনামে চালের জাহাজীকরণ ব্যয় বাড়ার ঘটনাও এতে প্রভাবক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
এ সময়ে থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। উল্লিখিত মানের প্রতি টন চালের দাম দাঁড়িয়েছে ৪১৫-৪২৮ ডলার, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪০০-৪০৩ ডলার। ভুট্টা ও গমের দাম বাড়ায় পশুখাদ্য উৎপাদনকারীরা বর্তমানে ভাঙা চালের দিকে ঝুঁকছেন।
ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, এ পরিস্থিতি চালের মূল্যবৃদ্ধিতে বেশ ভূমিকা রাখছে। থাইল্যান্ডের আরেকজন ব্যবসায়ী জানান, সম্প্রতি ইউরোপীয় অঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক ও ইরান থেকে চালের চাহিদা বেশ ভালোভাবেই বেড়েছে। এসব ক্রেতারা বিভিন্ন মানের থাই চালের প্রতি তাদের আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
থাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, জানুয়ারিতে দেশটির রফতানীকৃত চালের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫২ টন, যার মূল্য ২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি বেড়েছে ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ।
আরেক শীর্ষ রফতানিকারক দেশ ভারতের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম বেড়ে প্রতি টনের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৭১-৩৭৮ ডলার, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৭০-৩৭৬ ডলার। গত জুনের পর এটি সর্বোচ্চ দাম।
অন্ধ্র প্রদেশের এক রফতানিকারক জানান, ভুট্টা ও গমের দাম বাড়ায় ভোক্তারা চালের মজুদ বাড়াতে চাইছেন। ফলে খাদ্যশস্যটির দামে এমন বাড়তি প্রভাব পড়ছে।
সানবিডি/এনজে