স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বলেই জঙ্গি দমন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেছেন, আমরা জঙ্গিবাদের বিষদাঁতগুলো ভেঙে দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছি। বাংলাদেশের মানুষ কখনোই জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়নি। যে কারণে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে ‘শ্বেতপত্র: বাংলাদেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ২০০০ দিন’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন তিনি।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ, রিজিওনাল এন্টি টেররিস্ট রিসার্চ ইনিস্টিউটের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এতে সবাই সাড়া দিয়েছে। জঙ্গিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছেলেকে মা আমাদের কাছে ধরিয়ে দিয়েছেন। জঙ্গিরা নিহত হলে তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন লাশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জঙ্গিবাদ কোনো ধর্মের আদর্শ নয়। কোনো ধর্মেই সন্ত্রাসবাদ ও মানুষ হত্যার অনুমতি দেয় না। আমরা সেটা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সারা দেশ ঘুরেছি। জঙ্গিবাদ নির্মূলে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছি। শিক্ষক, ছাত্রসমাজ ও জনতা সবাই জঙ্গিবাদ নির্মূলে আমাদের সহযোগিতা করেছে। যে কারণে আমরা জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে না পারলেও তাদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে পেরেছি।
সানবিডি/এনজে