দেশের পার্বত্য অঞ্চলের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দবান জেলার ১৩০ অবৈধ ইটভাটা ও আনুসাঙ্গিক স্থাপনা ছয় সপ্তাহের মধ্যে গুঁড়িয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৩-এর ১৪ ও ১৯ ধারা অনুযায়ী এসব অবৈধ ইটভাটা পারিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ ইটভাটা নিয়ে তিন জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদন দেখে সোমবার এ আদেশ দেন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
পার্বত্য তিন জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি'র পক্ষে করা এক রিটে গত ২৫ জানুয়ারি হাই কোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। সাত দিনের মধ্যে এ তিন জেলার নিবন্ধনহীন সব ইটভাটা বন্ধের পাশাপাশি দুই সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ ইটভাটার তালিকা আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ওই আদেশে।
নির্দেশনা অনুযায়ী তিন জেলা প্রশাসক আদালতে প্রতিবেদন দেয়। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, রাঙামটিতে ২৫টি, বান্দরবানে ৭০টি এবং খাগড়াছড়িতে ৩৫টিসহ মোট ১৩০টি ইটভাটা রয়েছে।
রিট আবেদনকারী সংস্থার আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড বা কমপক্ষে ২০ (বিশ) লাখ টাকা। অবৈধ ইটভাটা পরিচালনাকারী উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
সানবিডি/এনজে