
চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে চীনে কমেছে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন। স্বভাবতই ফেব্রুয়ারিতে ধাতুটির উৎপাদন কমে। তার ওপর শীতকালীন অলিম্পিকের কারণে দূষণ ঠেকাতে উৎপাদন নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়েছে। মূলত এ কারণেই উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
এ বিষয়ে চীনের ন্যাশনাল ব্যুারো অব স্ট্যাটিস্টিকস জানায়, বছরের প্রথম দুই মাসে চীনে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টনে।
এদিকে গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় দৈনিক গড় উৎপাদন কমেছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। দৈনিক উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৭৭ হাজার টনে।
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে চীনে পিগ আয়রন উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার টনে নেমেছে। দৈনিক উৎপাদন ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ২২ লাখ ৩৯ হাজার টনে পৌঁছেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বাজার প্রত্যাশা অনুপাতেই মাসভিত্তিক ও বাৎসরিক উৎপাদন কমেছে। কারণ শীত মৌসুমের প্রভাবে চীনের উত্তরাঞ্চলে উৎপাদন কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তার ওপর শীতকালীন অলিম্পিকের প্রভাব তো আছেই।
এদিকে প্রথম দুই মাসে উৎপাদন কমায় চলতি মাসে ইস্পাতের মজুদ কমবে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এতে ইস্পাতের চাহিদা দুর্বল থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়তে পারে।
সানবিডি/এনজে