
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সম্প্রতি তারিখ ও সময় উল্লেখপূর্বক পরীক্ষা সংক্রান্ত যে দুটি চিঠি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো কেন্দ্র বাছাইয়ের অংশ।
কেন্দ্র নির্বাচন শেষ হওয়ার পর কয়েক ধাপে অনুষ্ঠেয় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের আনুষ্ঠানিক তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত মহাপরিচালক দপ্তর) মো. মোস্তফা ফারুক খান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালকের সই করা চিঠি দুটি কেন্দ্র বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ।
তিনি আরও বলেন, লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, সেগুলোর কোন কক্ষে কতজনের পরীক্ষা নেওয়া যাবে, তা অধিদপ্তরকে ইমেইল করে জানানোর জন্যই চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা টেলিটককে জানিয়ে দিব। তারা প্রার্থীদের এসএমএস দিয়ে কেন্দ্র ও তারিখ জানিয়ে দেবে।
১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এপ্রিল মাসে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জুলাই মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এএ