
তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারেক মুহাম্মদ ইফতেখার। তিনি বুয়েটের ড. এম এ রশীদ হলে থাকতেন, পড়াশোনা করতেন যন্ত্রকৌশল বিভাগে। গত ১৪ মার্চ বুয়েট থেকে বাড্ডায় ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার কথা ছিলো তার। তবে, বুয়েট থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
গত ৩ দিন আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, পরিচিত কারও কাছে ইফতেখারের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার (১৬ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) চকবাজার থানায় নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ইফতেখারের ভাই আবুল কালাম আজাদ।
সাধারণ ডায়েরিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ১৪ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে হল থেকে বের হন ইফতেখার। কিন্তু তিনি ওই দিন ভাইয়ের বাসায় যাননি। পরদিনও না যাওয়ায় তার মেজো ভাই তারেক মুহাম্মদ ইরফান ফোন করেন ইফতেখারের নম্বরে। নম্বরটি বন্ধ পেয়ে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুদের কাছে খোঁজ নেন। কোথাও সন্ধান পাওয়া যায়নি ইফতেখারের।
নিখোঁজ ইফতেখারের ভাই আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৪ মার্চ ৩টার দিকে আমার সঙ্গে ওর স্বাভাবিক কথা হয়। মায়ের খোঁজখবর নেয়, সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। বাড্ডায় আমার ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যায়নি। আমাদের জানামতে ওর কোনো সমস্যা নেই।’
সাধারণ ডায়েরিটি তদন্ত করছেন চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক মো. নুরুদ্দিন। তিনি বলেন, ‘হল থেকে বের হওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছি। তিনি একাই বের হয়েছেন। কিন্তু ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় কোথায় কোন দিকে গিয়েছেন তার ফুটেজ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোন কোন পথে এগিয়ে গেছেন, তা ট্রেস করার চেষ্টা করছি।’
উপ-পরিদর্শক নুরুদ্দিন বলেন, ‘আমরা তার অবস্থান নিশ্চিতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি। ইফতেখারের একটি ফোন হলে ছিল। আরেকটি ফোন তিনি নিয়ে বের হয়েছিলেন। হলে রেখে যাওয়া ফোন নম্বরে সঙ্গে নেয়া নম্বরটি ডাইভার্ট করা ছিল। যে কারণে তার সর্বশেষ লোকেশন কোথায় ছিল তাও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’
এএ