
আসন্ন ২০২২-২৩ মৌসুমে ব্রাজিলের কফি উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি কফি)। এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমের জন্য দেশটির কফি উৎপাদনের মাত্রা প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৬ কোটি ৬৫ লাখ ব্যাগ। ডাচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান রাবোব্যাংকের দেয়া প্রাক্কলন অনুসারে এমনটা জানা যায়। রাবোব্যাংক জানায়, গত বছরের ফুলগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী টিকে থাকেনি। ফলে প্রত্যাশিত মাত্রার চেয়ে উৎপাদনের পরিমাণও কমবে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
২০২২-২৩ মৌসুমে ব্রাজিলের অ্যারাবিকা কফির উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪ কোটি ১৪ লাখ ব্যাগ। একই সময়ে রোবাস্তা কফি উৎপাদনের পরিমাণ রেকর্ড ২ কোটি ৩১ লাখ ব্যাগ দাঁড়াতে পারে বলে জানায় রাবোব্যাংক।
রাবো রিসার্চ অ্যানালিস্ট কার্লোস মেরা ও গিলহারমে মরিয়া এক প্রতিবেদনে জানান, রোবাস্তা ফার্মগুলোর উৎপাদনশীলতা চমত্কার হলেও অ্যারাবিকা ফার্মগুলোর উৎপাদনশীলতা অনেকটাই অপ্রতুল। ২০২১ সালে ৯০ বছরের মধ্যে শক্তিশালী খরা ও তুষারপাত কফি উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা জানান, আবহাওয়ার কারণে ব্রাজিলের কফি অঞ্চলে উৎপাদন কমতে প্রভাব তৈরি করে। এ সময় কৃষকদের কফি থেকে অন্যান্য ফসলের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতাও লক্ষ করেন বিশ্লেষকরা।
চলতি বছর সার সংকটের কারণে আগামী বছর ব্রাজিলের কফি উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন রাবোব্যাংকের বিশ্লেষকরা। দেশটি রাশিয়া থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সার আমদানি করে।
সানবিডি/এনজে