
ইউক্রেনে চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ লাখ হেক্টর জমিতে বসন্তকালীন শস্যের আবাদ হয়েছে। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আবাদ প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলে দেশটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টন খাদ্যশস্য রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। ইউক্রেনের কৃষিমন্ত্রী মিকোলা সলস্কি এ কথা জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স।
রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধে রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের বন্দরগুলো অবরোধ করে রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোমানিয়ার ভেতর দিয়ে শস্য রফতানি ইউক্রেনের জন্য কতটা গুরুত্ব বহন করছে, তারই ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই মাসের মধ্যে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার ভেতর দিয়ে গম রফতানি প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তে পারে।
সলস্কি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, লজিস্টিকসসহ নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আবাদসংক্রান্ত ক্যাম্পেইন কার্যকরভাবেই চলছে। গত বছর যে পরিমাণ জমিতে আবাদ করা হয়েছিল, এ বছর তার চেয়ে কম জমিতে শস্য আবাদ হয়েছে। বিশেষ করে ভুট্টা আবাদ অনেক কমেছে।
রাশিয়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর পরই আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এতে আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে সব ধরনের পণ্যের দাম। নেতিবাচক প্রভাব পড়ে লজিস্টিকসেও।
ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিল জানায়, ২০২০-২১ মৌসুমে ভুট্টা রফতানিতে বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ অবস্থানে ছিল ইউক্রেন। পাশাপাশি গম রফতানিতে দেশটি ষষ্ঠ স্থানে উঠে আসে।
বর্তমানে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টন খাদ্যশস্য ইউক্রেনে আটকে আছে। কৃষ্ণ সাগরের অবরুদ্ধ বন্দর ও পরিকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের কারণে এসব শস্য দেশ ছেড়ে গন্তব্যে যেতে পারছে না। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এমনটি জানিয়েছে।
সানবিডি/এনজে