
ব্রাজিলে ফের চিনি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বেশির ভাগ মিলই আখ থেকে চিনির পরিবর্তে ইথানল উৎপাদনে আগ্রহী। এটি উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। তবে এশিয়ায় ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন এক্ষেত্রে ভারসাম্য তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্প্রতি পণ্যবাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডাটাগ্রো ব্রাজিলের সেন্টার-সাউথ (সিএস) অঞ্চলে চিনি উৎপাদন পূর্বাভাস কমিয়ে আনে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সিআইটিআই আইএসও ডাটাগ্রো সুগার কনফারেন্সে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিশ্লেষক প্লিনিও নাসটেরি বলেন, ব্রাজিলে চিনি উৎপাদন কমে ৩ কোটি ২১ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। মার্চে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় এটি ৯ লাখ টন কম।
এ বিষয়ে নাসটেরি বলেন, আখ মাড়াই কমে যাওয়াও চিনি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মার্চে দেয়া পূর্বাভাসে ডাটাগ্রো ৫৬ কোটি ২০ লাখ টন আখ মাড়াইয়ের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেয়া পূর্বাভাসে তা কমিয়ে ৫৫ কোটি ২০ লাখ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কিছু আখক্ষেতে ফলন ভালো হয়নি। মাটির আর্দ্রতা নজিরবিহীনভাবে কমে গিয়েছে।
বর্তমানে ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ চিনি উৎপাদক। দেশটিতে উৎপাদন কমলেও তা বৈশ্বিক সরবরাহ ধারায় খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ এশিয়ায় চিনি উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো শীর্ষস্থানীয় রফতানিকারক দেশগুলোয় চিনি উৎপাদন ব্যাপক বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সানবিডি/এনজে