
চলতি বছর চীনের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে।মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমন বাড়ায় নতুন করে আরোপিত লকডাউনের ফলে দেশটিতে কমেছে বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য ও শিল্প ধাতুর চাহিদা। এছাড়া বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহ সংকটও চাহিদা কমার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে বিশ্ববাজারে উচ্চমূল্য ও উৎপাদন সংকটে শীতল জ্বালানিটির চাহিদা কমে আসার কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।
এলএনজি আমদানিকারক দেশ হিসেবে বেশ কয়েক বছর শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিল চীন। সম্প্রতি চীনকে টপকে শীতল জ্বালানিটির শীর্ষ আমদানিকারকের স্থান দখল করে জাপান। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে চীনের এলএনজি আমদানির পরিমাণ কমায় এমনটা ঘটে। এ সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চীনের এলএনজি আমদানির পরিমাণ কমে ১৮ শতাংশ। রেফিনিটিভ ডাটার দেয়া তথ্যে এমনটা দেখা যায়।
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইট, উড ম্যাকেঞ্জি ও এসআইএ এনার্জির পূর্বাভাস অনুযায়ী চলতি বছরে চীনের এলএনজি আমদানির পরিমাণ ১৯ শতাংশের মতো কমতে পারে। এ সময়ে দেশটির এলএনজি আমদানির পরিমাণ কমতে পারে ১ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টন। ২০০৬ সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর এটি সর্বপ্রথম উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পতন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে ২০১৫ সালে বছরজুড়ে এলএনজি আমদানিতে ১ শতাংশ হ্রাস দেখতে পেয়েছিল চীন।
সানবিডি/এনজে