

ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানিকারকদের বর্তমানে প্রতি টন পাম অয়েল রফতানিতে সর্বোচ্চ ৫৭৭ ডলার শুল্ক ও কর দিতে হয়। তবে রফতানি বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করতে এ সম্মিলিত শুল্কহার কমিয়ে টনপ্রতি ৪৮৮ ডলারে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সম্প্রতি রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মাদ লুিফ।
ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক। টানা তিন সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা শেষে দেশটি পাম অয়েল রফতানির অনুমতি দিয়েছে। তবে আমলাতান্ত্রিক ও পলিসিজনিত জটিলতায় রফতানি শুরুর প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে।
চাষীদের অভিযোগ, মিলগুলো এখনো পাম অয়েল কেনা সীমিত রেখেছে। এ কারণে বাজারে পাম ফলের লাভজনক দাম পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে মিলমালিকরা বলছেন, রফতানি প্রক্রিয়ায় জটিলতা কাটছে না। ফলে মিলগুলোয় পাম অয়েলের মজুদ বেড়ে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এ কারণে নতুন করে পাম অয়েল কেনা যাচ্ছে না।
লুফি বলেন, সরকার সর্বোচ্চ কর টনপ্রতি ২৮৮ ডলার নির্ধারণ করতে পারে। তবে সর্বোচ্চ শুল্ক টনপ্রতি ২০০ ডলারে নামিয়ে আনা হবে। ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে প্রতি টন পাম অয়েলের রফতানি কর বাবদ ২০০ ডলার আদায় করছে। অন্যদিকে শুল্ক বাবদ সর্বোচ্চ আদায় করা হচ্ছে ৩৭৫ ডলার। তবে নতুন শুল্কহার কবে নির্ধারণ করা হবে তা নিশ্চিত করেননি মন্ত্রী।
কিন্তু চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল দেশটি পাম অয়েল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। উদ্দেশ্য স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ বাড়ানো ও আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণ।
দেশটির সরকার গত ২৩ মে রফতানি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়। কিন্তু স্থানীয় বাজারে সরবরাহ সুরক্ষায় কিছু বিধান আরোপ করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ডমিস্টিক মার্কেট অবলিগেশন (ডিএমও)। এ নীতির অধীনে উৎপাদকদের বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাম অয়েল স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হবে। এর পরই তারা রফতানির অনুমতি পাবেন।
সানবিডি/এনজে