১.৮ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক আমদানি ব্যয়

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২২-০৬-১৩ ১৪:১৪:৪০


চলতি বছর খাদ্যপণ্য আমদানি ব্যয় ৫ হাজার ১০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কর্তৃক প্রকাশিত ফুড আউটলুক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিত, আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগ এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাজারে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা খাদ্যপণ্যের বাজারকে সংকুচিত করছে। খাদ্যপণ্যের আমদানি ব্যয় বেড়ে রেকর্ড উচ্চতার দিকে এগোচ্ছে।

এফএও বলছে, খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে থাকা অনেক দেশ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে বিনিময়ে খুব স্বল্প পরিমাণ খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হচ্ছে। পশু চর্বি ও ভোজ্যতেল রেকর্ড সর্বোচ্চ আমদানি ব্যয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো মোটের ওপর দানাদার খাদ্যশস্য, তেলবীজ ও মাংস আমদানি কমাচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে না পারারই প্রতিচ্ছবি এটি।

চলতি বছর প্রধান প্রধান খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উৎপাদন কমার পূর্বাভাস মিলেছে। বৈশ্বিক জোগানেও ২০ বছরের মধ্যে প্রথম নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পশুখাদ্যের ব্যবহার ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মানুষের খাদ্য হিসেবে শস্যের ব্যবহারে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।

গমের বৈশ্বিক উৎপাদন ও জোগানে নতুন রেকর্ড তৈরি হওয়ার আভাস মিলেছে। মূলত ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রে ইথানল উৎপাদনে ব্যাপকতা এক্ষেত্রে সহায়তা করছে। ভোজ্যতেলের বৈশ্বিক ব্যবহার উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

সানবিডি/এনজে