দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে কৃষিখাতে প্রভাব পড়বে না। কৃষকের লাভটা হয়তো কম হবে। কিন্তু উৎপাদন কম হবে না বলেছেন, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ।তিনি বলেন, আগে ১১০০ বা ১ হাজার টাকায় এক মণ ধান বিক্রি করে ১০০-১৫০ টাকা লাভ হতো, এখন হয়তো লাভটা কম হবে।
আজ রোববার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘বিদ্যমান শস্য বিনাসে তৈল ফসলের অন্তর্ভুক্তি এবং ধান ফসলের অধিক ফলনশীল জাতসমূহের উৎপাদন বৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মশালায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশের চাষিরা ত্যাগী। বউয়ের গয়না বিক্রি করে, গরু বিক্রি করে, ছাগল বিক্রি করে সার কিনে জমিতে দেয়। সারাদেশেরই মানুষের কষ্ট হচ্ছে। বড় বড় শিল্পপতিদের জন্যও ঝুঁকি আছে। তেলের ব্যবহার সর্বত্র।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাবে। আমরা আবার তেলের দাম কমিয়ে নেব। দেশকে তো আমরা পুরো ঝুঁকির মধ্যে নিতে পারি না। এখন এই যে তেলের বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, দিলে সরকারি গুদাম, সরকারি রিজার্ভ একদম কমে যাবে, তখন সারা জাতি একটা হুমকির মুখে পড়ে যাবে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কম খরচ করেন, আমরা একটু সাশ্রয় করি, একটু কম খাই। তেলের মূল্য বৃদ্ধি হলে এর একটি বিরূপ প্রভাব যে পড়বে, সরকারও সেটা জানে। তারপরও সাময়িক এই কষ্টটা নিয়ে আমরা যেন টিকে থাকতে পারি। ইনশাআল্লাহ যুদ্ধ তো আর চিরদিন থাকবে না, যদি আমরা টিকতে পারি, আবার ঘুরে দাঁড়াব।
এনজে