নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে আরেক দফা বেড়েছে সুতার দাম । এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব কাউন্টের সুতার দাম পাউন্ডপ্রতি বেড়েছে ১০ টাকা। তবে কিছু কাউন্টের দাম ৩-৪ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বৈশ্বিক মন্দার কারণে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতে বিদেশী অর্ডার কমেছে। তবে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় সুতা তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এ কারণে স্পিনিং মিলের মালিকরা সুতার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ১০ কাউন্টের সুতা বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৬০-৭০ টাকা। একই কাউন্টের সুতা এক সপ্তাহ আগে বেচাকেনা হয়েছিল ৬০-৮৫ টাকা দরে। সে হিসেবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুতার দাম কমেছে পাউন্ডপ্রতি ১০ টাকা।
২০ কাউন্টের কোয়ালিটি সুতা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে প্রকারভেদে ৯৫-১০৫ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা ৯০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। এক্সপোর্ট কোয়ালিটির ২৪, ২৬ ও ৩০ কাউন্টের সুতা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১৬৬-১৬৭ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা সাত-আটদিন আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১৪৫-১৫০ টাকা দরে।
৪০ কাউন্টের সুতার বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে (বাইন) ১৮৪-১৮৫ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা এক সপ্তাহ আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১৮০ টাকা দরে। ৪০ কাউন্টের (টানা) সুতা বেচাকেনা হচ্ছে প্রকারভেদে ১৯৫-২০৫ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা ৮-১০ দিন আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১৯০-২০০ টাকা দরে।
৫০ কাউন্টের সুতা বাজারে প্রকারভেদে বেচাকেনা হচ্ছে ২১৮-২২৮ টাকা দরে। দু্ই সপ্তাহ আগেও একই কাউন্টের সুতা বাজারে বেচাকেনা হয়েছিল ২১০-২১৫ টাকা দরে। ৬০ কাউন্টের সুতা বেচাকেনা হচ্ছে পাউন্ডপ্রতি ২১০-২৪৫ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা এক সপ্তাহ আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ২০৫-২৪০ টাকা দরে।
৮০ কাউন্টের সুতা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে প্রকারভেদে ৩৬০-৩৬৫ টাকা দরে। একই কাউন্টের সুতা বেশ কয়েকদিন আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ৩৪০-৩৫০ টাকা দরে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ইয়ার্ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশেনের সভাপতি লিটন সাহা জানান, গত এক মাসের ব্যবধানে পাউন্ডপ্রতি সুতার দাম ১০ টাকা বেড়ে আবার ৩-৪ টাকা করে কমেছে। সুতা তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সব কাউন্টের সুতার দাম বেড়েছে।
এনজে