ভোমরা স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরের শুরুতেই বড় আকারের রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত দুই মাসে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঘাটতি পড়েছে অর্ধশত কোটি টাকার বেশি।
বন্দরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দার কারণে বড় আকারের রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৫০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৬৬ কোটি ১৫ লাখ এবং আগস্টে ৮৪ কোটি ৪১ লাখ। এ লক্ষ্যমাত্রা বিপরীতে গত দুই মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৪৪ কোটি ৭৪ লাখ এবং আগস্টে ৫৫ কোটি ২ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সূত্রটি জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এ বন্দরে রাজস্ব আদায় হয় ১০২ কোটি ১৪ লাখ টাকার।
এ বিষয়ে ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী দিলওয়ার নওশাদ রাজু জানান, যেকোনো সময়ের তুলনায় সম্প্রতি ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্যে খুবই মন্দা যাচ্ছে। এ কারণে সরকারের রাজস্ব আয়েও ঘাটতি পড়েছে। তবে বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী ও আমদানি-রফতানিকারকরা যদি তাদের চাহিদামাফিক পণ্য আমদানি করতে পারত, তাহলে এত বেশি রাজস্ব ঘাটতি পড়ত না। পূর্ণাঙ্গ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও সব পণ্য আমদানি করতে দেয়া হয় না ব্যবসায়ীদের। অন্যান্য বন্দরের তুলনায় এখানে বৈষম্য করা হয়।
এনজে