
করোনা প্রকোপের সময় যে লেবুর হালি বিক্রি হতো ২০ টাকায় সেই একই এলাচি লেবু রায়গঞ্জে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০ টাকায়। আর দেশি কাগজি লেবু বিক্রি হচ্ছে পাঁচ টাকা হালি।
উপজেলার ধানগড়া হাটে কাঁচাবাজারে লেবু বিক্রি করতে আসা পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমবাড়ি ইউনিয়নের নাকুয়া গ্রামের লেবুচাষি ওসমান গণি জানান, লেবুর চাহিদা থাকায় তিনি প্রায় এক বিঘা জমিতে লেবু চাষ করেছেন। গাছে গাছে প্রচুর লেবু ধরেছে। এর আগে ভালো দাম পেয়েছেন। তার দেখাদেখি এলাকার অনেকেই লেবু চাষ করেছে। এ বছর লেবুর ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু চাহিদা কম। প্রতিদিন তার লেবু বাগান থেকে প্রায় দেড় মণ হারে লেবু তুলতে হচ্ছে। গাছে লেবু থাকলে পেকে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে তিনি পানির চেয়েও কম দামে লেবু বিক্রি করছেন বলে জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রায়গঞ্জ উপজেলায় দুই-এক জন শৌখিন লেবুচাষি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা উল্লেখযোগ্য কোনো লেবুর বাগান নেই। তবে পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রায়গঞ্জ এলাকায় প্রচুর লেবু আমদানি হচ্ছে।
এম জি