
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক লিখিত ও নির্ধারিত ‘বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি’ বই বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু সেখানেও ‘সংযোগ শব্দ, বচন, নির্দেশক, যতিসহ’ অনেক অশুদ্ধ বাক্য লক্ষ্য করা যায়। সেখান থেকে সামান্য শুদ্ধ করা হলো-
ষষ্ঠ শ্রেণি : বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি
রচনা : ড. আমিনুর রহমান সুলতান, নির্মল সরকার ও মেহাম্মদ মামুন মিয়া
সম্পাদনা : প্রফেসর ড. জীনাত ইমতিয়াজ আলী
অশুদ্ধ
অক্ষর অনুযায়ী যেসব ভাষা লেখার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তাকে বলে অক্ষরভিত্তিক লিখনরীতি। যেমন-জাপানি ভাষা। (পৃ. ২)
শুদ্ধ
অক্ষর অনুযায়ী যেসব ভাষা লেখার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তাদের বলে অক্ষরভিত্তিক লিখনরীতি। যেমন : জাপানি ভাষা।
অশুদ্ধ
একই ভাষা যারা ব্যবহার করে তাদেরকে বলে একই ভাষাভাষী বা ভাষিক সম্প্রদায়। (পৃ. ৫)
শুদ্ধ
একই ভাষা যারা ব্যবহার করে তাদের বলে একই ভাষাভাষী বা ভাষিক সম্প্রদায়।
অশুদ্ধ
ধ্বনির উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বাকপ্রত্যঙ্গ বলে। (পৃ. ১৩)
শুদ্ধ
ধ্বনির উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত তাদের একত্রে বাগ্যন্ত্র বাকপ্রত্যঙ্গ বলে।
অশুদ্ধ
যে-বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না সেগুলোই হলো স্বরধ্বনি।(পৃ. ১৩)
শুদ্ধ
যে-বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না সেটি হলো স্বরধ্বনি।(পৃ. ১৩)
অথবা
যেসব বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না সেসব হলো স্বরধ্বনি।
অশুদ্ধ
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এই তিনটি ঘর্ষণজাত ধ্বনিকে এভাবে দেখানো যায়: দন্তমূলীয় : স্, তালব্য : শ্, কণ্ঠনালীয় : হ্ (পৃ. ২১)
শুদ্ধ
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এই তিন /তিনটি ঘর্ষণজাত ধ্বনিকে এভাবে দেখানো যায়। যেমন: দন্তমূলীয় : স্, তালব্য : শ্, কণ্ঠনালীয় : হ্
অশুদ্ধ
এ জাতীয় ধ্বনিগুলোকে অনেকে ‘হ-কার জাতীয় ধ্বনি’ বলেছেন। (পৃ. ২৩)
শুদ্ধ
এ জাতীয় ধ্বনিগুলো অনেকে ‘হ-কার জাতীয় ধ্বনি’ বলেছেন।
অশুদ্ধ
ন এবং ণ-এর উচ্চারণ অভিন্ন। যেমন: বান, বাণ। (পৃ. ২৬)
শুদ্ধ
ন ও ণ-এর উচ্চারণ অভিন্ন। যেমন : বান, বাণ।
অশুদ্ধ
যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার প্রতিটি বর্ণের রূপ স্পষ্ট, সেগুলোকে স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে। (পৃ. ২৮)
শুদ্ধ
যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার প্রতিটি বর্ণের রূপ স্পষ্ট তাদের স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে।
অশুদ্ধ
যে সকল শব্দ সমান বা একই অর্থ প্রকাশ করে তাকে সমার্থশব্দ বলে। (পৃ. ৫১)
শুদ্ধ
যে সকল শব্দ সমান বা একই অর্থ প্রকাশ করে তাদের সমার্থশব্দ বলে। (পৃ. ৫১)
অশুদ্ধ
বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ আমার বোনের বিয়ে। (পৃ. ৮৫)
শুদ্ধ
বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি ২০১৩ আমার বোনের বিয়ে।
অশুদ্ধ
অনুচ্ছেদ এবং প্রবন্ধ এক বিষয় নয়। (পৃ. ৮৬)
শুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ও প্রবন্ধ এক বিষয় নয়। (পৃ. ৮৬)
সপ্তম শ্রেণি : বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি
রচনায় : প্রফেসর ড. অনিরুদ্ধ কাহালি
প্রফেসর ড. দেলওয়ার মফিজ ও গৌতম গোস্বামী
সম্পাদনায় : প্রয়েসর নিরেঞ্জন অধিকারী
অশুদ্ধ
ফলে কিছু ভুলত্রুটি থেকে যেতে পারে। (প্রসঙ্গ-কথা)
শুদ্ধ
ফলে কিছু ভুল/ত্রুটি থেকে যেতে পারে।
অশুদ্ধ
কোনো ভাষার ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, তাকে বর্ণ বলে। অ, আ, ক, খ প্রভৃতি বাংলা ভাষার একেকটি ধ্বনি-প্রতীক বা বর্ণ। (পৃ. ১৩)
শুদ্ধ
কোনো ভাষার ধ্বনিগুলো লিখে প্রকাশ করার জন্য যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাকে বর্ণ বলে। অ, আ, ক, খ প্রভৃতি বাংলা ভাষার একেকটি ধ্বনি-প্রতীক বা বর্ণ।
অশুদ্ধ
যেসব ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে পূর্ণ ও স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হয়, তাকে স্বরধ্বনি বলে। (পৃ. ১৩)
শুদ্ধ
যেসব ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে পূর্ণ ও স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হয় তাদের স্বরধ্বনি বলে।
অশুদ্ধ
শ, ষ, স -এই তিনটি ধ্বনিকে শিস ধ্বনিও বলা হয়। (পৃ. ১৪)
শুদ্ধ
শ, ষ, স -তিনটি ধ্বনিকে শিস ধ্বনিও বলা হয়।
অশুদ্ধ
প্রত্যেক বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি এবং শ, ষ, স এগুলোর উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় না বলে, এগুলোকে অঘোষ ধ্বনি বলে। এদেরকে শ্বাসধ্বনিও বলা হয়। (পৃ. ১৫)
শুদ্ধ
প্রত্যেক বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি এবং শ, ষ, স এগুলোর উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় না বলে এগুলো অঘোষ ধ্বনি /এদের অঘোষ ধ্বনি বলে। এদের শ্বাসধ্বনিও বলা হয়।
অশুদ্ধ
বাক্যে ব্যবহৃত যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বাক্যের অর্থগ্রাহ্যতায় সাহায্য করে, তাদের বিভক্তি বলা হয়।
শুদ্ধ
বাক্যে ব্যবহৃত যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বাক্যের অর্থগ্রাহ্যতায় সাহায্য করে তাকে বা তাদের বিভক্তি বলা হয়। (পৃ. ২৮)
অশুদ্ধ
ছোট ছোট ডিঙি নৌকাগুলো নদীতে ভাসমান। (পৃ. ২৮)
শুদ্ধ
ছোট ছোট ডিঙি নৌকা /ছোট ডিঙি নৌকাগুলো নদীতে ভাসমান।
অশুদ্ধ
যে ভাষায় যত বেশি শব্দ আছে, সে ভাষা তত বেশি সমৃদ্ধ। (পৃ. ৫২)
শুদ্ধ
যে ভাষায় যত বেশি শব্দ আছে সে ভাষা তত বেশি সমৃদ্ধ।
অশুদ্ধ
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। (পৃ. ৫২)
শুদ্ধ
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে তাকে বা তাদের প্রত্যয় বলে। (পৃ. ৫২)
অশুদ্ধ
এ ধরনের শব্দসমূহকে সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলে। (পৃ. ৮২)
শুদ্ধ
এ ধরনের সকল শব্দকে সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলে।
অশুদ্ধ
সুতরাং আক্ষরিক অর্থকে ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাগ্ধারা বলে।(পৃ. ৮৮)
শুদ্ধ
সুতরাং আক্ষরিক অর্থকে ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বা তাদের বাগ্ধারা বলে।
অশুদ্ধ
আষাঢ়ে গল্প ( আজগুবি গল্প )-এসব যে তোমার আষাঢ়ে গল্প, তা আমাদের জানা হয়ে গেছে। (পৃ. ৮৯)
শুদ্ধ
আষাঢ়ে গল্প ( আজগুবি গল্প )-এসব যে তোমার আষাঢ়ে গল্প সেসব আমাদের জানা হয়ে গেছে।
অষ্টম শ্রেণি : বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি
রচনা : অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, মিলন রায়
সম্পাদনা : অধ্যাপক ড. হায়াৎ মামুদ
অশুদ্ধ
অর্থপূর্ণ যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারণ করে তাকে ভাষা বলে। (পৃ. ১)
শুদ্ধ
অর্থপূর্ণ যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারণ করে তাকে বা তাদের ভাষা বলে। (পৃ. ১)
অশুদ্ধ
কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশে¬ষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে। (পৃ. ৯)
শুদ্ধ
কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশে¬ষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় তাদের পৃথকভাবে ধ্বনি বলে।
অশুদ্ধ
এই প্রতীকের নাম বর্ণ। অর্থাৎ কোনো ভাষা লিখতে যেসব ধ্বনি-দ্যোতক প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাকে বর্ণ বলে। (পৃ. ১০)
শুদ্ধ
এই প্রতীকের নাম বর্ণ। অর্থাৎ কোনো ভাষা লিখতে যেসব ধ্বনি-দ্যোতক প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাদের বর্ণ বলে। (পৃ. ১০)
অশুদ্ধ
ক, ল, ম-এই তিনটি ধ্বনি একসাথে জুড়ে দিলে হয়। কলম (ক+ল+ম)। (পৃ. ২৫)
শুদ্ধ
ক, ল, ম-তিনটি ধ্বনি একসাথে জুড়ে দিলে হয়। কলম (ক+ল+ম)।
অশুদ্ধ
তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে। (পৃ. ২৬)
শুদ্ধ
তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায় তাদের লিঙ্গ বলে।
অশুদ্ধ
যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক ধাতু বলে। যেমন : কর, চল্, পড়্, বড়্, পা, যা, দে, খা, হ্ ইত্যাদি। (পৃ. ৩৯)
শুদ্ধ
যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না তাদের মৌলিক ধাতু বলে। যেমন : কর, চল্, পড়্, বড়্, পা, যা, দে, খা, হ্ ইত্যাদি।
অশুদ্ধ
যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে। (পৃ. ৫৮)
শুদ্ধ
যারা ভালো ছেলে তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে।
অশুদ্ধ
যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (পৃ. ৫৮)
শুদ্ধ
যখন বিপদ আসে তখন দুঃখও আসে।
অশুদ্ধ
বিপদ এবং দুঃখ একই সাথে আসে। (পৃ. ৫৯)
শুদ্ধ
বিপদ ও দুঃখ একই সাথে আসে।
অশুদ্ধ
যেসব তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উভয় স্বর (ই ঈ, উ ঊ) অভিধানবিসদ্ধ, সে ক্ষেত্রে এক অতৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) শব্দের বানানে শুধু হ্রষক্ষস্বর (ই, ি উ ু) হবে। (পৃ. ৬৬)
শুদ্ধ
যেসব তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উভয় স্বর (ই ঈ, উ ঊ) অভিধানবিসদ্ধ সেসব ক্ষেত্রে এক অতৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) শব্দের বানানে শুধু হ্রষক্ষস্বর (ই-, ি উ- ু) হবে।
নবম-দশম শ্রেণি : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
রচনা মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়র চৌধুরী
সম্পাদনা ইব্রাহীম খলিল, ডক্টর কাজী দীন মুহ্মদ ও শিবপ্রসন্ন লাহিড়ী
অশুদ্ধ
বাংলা, ইংরেজি, আরবি, হিন্দি প্রভৃতি ভাষার মৌখিক বা কথ্য এবং লৈখিক বা লেখ্য এই দুটি রুপ দেখা যায়। (পৃ. ২)
শুদ্ধ
বাংলা, ইংরেজি, আরবি, হিন্দি প্রভৃতি ভাষার মৌখিক বা কথ্য এবং লৈখিক বা লেখ্য /এই দুই /দুটি রূপ দেখা যায়।
অশুদ্ধ
বাংলা ভাষা ঐ সব ভাষার শব্দগুলোকে আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলোকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। (পৃ. ৫)
শুদ্ধ
বাংলা ভাষা ঐসব ভাষার শব্দগুলো আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে সেগুলো পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন।
অশুদ্ধ
যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-তাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও কোনো প্রকার বাধা পায় না, তাদেরকে বলা হয় স্বরধ্বনি যেমন- অ, আ, ই, উ, ইত্যাদি। পৃ. ১৩)
শুদ্ধ
যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-তাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও কোনো প্রকার বাধা পায় না তাদের বলা হয় স্বরধ্বনি। যেমন : অ, আ, ই, উ, ইত্যাদি।
অশুদ্ধ
ং ঃ ঁ-এ তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। তাই এ বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ। পৃ. ১৬)
শুদ্ধ
ং ঃ ঁ-তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। তাই এ বর্ণগুলো বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ। পৃ. ১৬)
অশুদ্ধ
ঙ ঞ ণ ন ম-এ পাঁচটি বর্ণ এবং ং ঃ ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয়; অর্থাৎ এগুলোর উচ্চারণে নাসিকার সাহায্যে প্রয়োজন হয়। তাই এগুলোকে বলে অনুনাসিক বা নাসিকা ধ্বনি। পৃ. ১৬)
শুদ্ধ
ঙ ঞ ণ ন ম-পাঁচটি বর্ণ এবং ং ঃ ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয় অর্থাৎ এগুলো উচ্চারণে নাসিকার সাহায্যে প্রয়োজন হয়। তাই এদের বলে অনুনাসিক বা নাসিকা ধ্বনি।
অশুদ্ধ
ই এবং ঈ- ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা এগিয়ে আসে এবং উচ্চে অগ্রতালুর কঠিনাংশের কাছাকাছি পৌঁছে। (পৃ. ১৭)
শুদ্ধ
ই, ঈ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা এগিয়ে আসে এবং উচ্চে অগ্রতালুর কঠিনাংশের কাছাকাছি পৌঁছে।
অশুদ্ধ
ব-বর্গে দ্যোতিত ধ্বনি সাধারণত সম্মুখ তালু স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। এজন্য এ ধ্বনিটিকে বলা হয় তালব্য ধ্বনি। (পৃ. ২৩)
শুদ্ধ
ব-বর্গে দ্যোতিত ধ্বনি সাধারণত সম্মুখ তালু স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। এজন্য এ ধ্বনিকে বলা হয় তালব্য ধ্বনি।
অশুদ্ধ
যে-সব তৎসম শব্দে ‘ষ’ রয়েছে তা বাংলায় অবিকৃত আছে। (পৃ. ৩২)
অশুদ্ধ
যেসব তৎসম শব্দে ‘ষ’ রয়েছে তারা বাংলায় অবিকৃত আছে।
অশুদ্ধ
বাংলা উপসর্গেও মধ্যে আ, সু, বি, নি- এ চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়। (পৃ. ৭৪)
শুদ্ধ
বাংলা উপসর্গেও মধ্যে আ, সু, বি, নি- চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
অশুদ্ধ
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। (পৃ. ৯৫)
শুদ্ধ
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না তাদের মৌলিক শব্দ বলে সেগুলো হলো মৌলিক শব্দ।