
মার্চ ২২,২০১২ (এশিয়া কাপ ফাইনাল)
শেষ ওভারে মাত্র ৯ রান নিতে পারলাম না আমরা। অথছ আমাদের হাতে ৩ উইকেট ছিল। রিয়াদ এর মত একজন ব্যাটসম্যান ছিল। তবুও এই হারটা মেনে নেয়া যায়। কারণ (যেকোনো) ফাইনাল ম্যাচে রান চেস করে জেতা কঠিন। ফাইনাল বিবেচনা করলে একটা আলাদা প্রেসার তো থাকেই। তাই শেষ ওভারে ৯ রান ও বেশি মনে হয় আর তাছাড়া আমরা তো রেগুলার ফাইনাল খেলে অভ্যস্ত না। তাই এই প্রেসার টা আমাদের বেশি গ্রাস করেছে।
মার্চ ১১,২০১২ (এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ)
এই ম্যাচ হার আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারি নি। সেদিন সারা রাত আমার ঘুম আসে এটা চিন্তা করে যে এই ম্যাচ কীভাবে হারলাম?
একটা সময় মাত্র ৪০ বলে ৩৯ দরকার ছিল হাতে ছিল ৫ উইকেট। ব্যাট করছিল সাকিব ও নাসির। মজার ব্যাপার ২ জন ই একদম ভাল মত সেট ছিল। নাসির ৪৭(৪৮)* আর সাকিব ৫২(৫৩)*।এর পরও আমরা সেই ম্যাচ ২১ রানে হেরে যাই।
ডিসেম্বার ৬,২০১১ (কুল অ্যান্ড কুল কাপের শেষ ম্যাচ)
উত্তাপহীন এক ম্যাচ ছিল সেটা কারন প্রথম ২ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত আগেই করেছিলো পাকিস্তান। সেই ম্যাচে একটা সময় পাকি দের বাশ দেয়া বেবস্থা করেই ফেলসিলাম। মনে হচ্ছিলো ১২ বছর আজ পাকি দের বাশ দিবোই। এত খুশী লাগছিলো যে সারা বছরের (২০১১) বেরথতা ভুলে যাচ্ছিলাম। কারন পাকি দের মাত্র ১৭৭ রানে অলআউট করে দিয়ে একটা সময়ে বাংলাদেশ ৬৯ রান ১ উইকেটে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত মাত্র ১১৯ রানে অল আউট হয়ে সেই জেতা ম্যাচ ৫৮ রানে হারে। ৫০ রানে শেষ ৯ উইকেট পরে আমাদের।
সানবিডি/ঢাকা/আহো