
নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার নিতাইগঞ্জে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে ডালের বাজার। এর মধ্যে বুটের ডালের দাম সর্বোচ্চ কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। তবে অন্যান্য ডালের দাম বাড়লেও কমেছে মসুর ডালের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডাল আমদানিনির্ভর পণ্য। ডলারের দামের সঙ্গে পণ্যটির বাজারদরও ওঠানামা করে। বর্তমানে ডলারের দাম বেশি থাকায় ডালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ছোলার ডাল ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক মাস আগে ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ টাকা। বুটের ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে, যা ১০-১৫ দিন আগে ছিল ৬৯-৭০ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ টাকা।
দেশী মসুর ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১১৭ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২০ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৩ টাকা। দিল্লি সুপার ডাল বাজারে বেচাকেনা হয়েছিল ১২৮ টাকা কেজি দরে, যা বর্তমানে ১৩০ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ২ টাকা। খেসারি ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৭২ টাকা কেজি দরে, যা আগে ছিল ৬৮ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ৪ টাকা। অ্যাঙ্কর ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৬২ টাকা কেজি দরে। এক মাস ধরে একই দরে এটি বিক্রি হচ্ছে। ডাব্লি বেচাকেনা হচ্ছে ৬১ টাকা কেজি দরে। একই ডাল এক মাস ধরে এ দামেই বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চিকন মুগডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৯৬-১০০ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগে ছিল ৯৪-৯৮ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ২ টাকা।
নিতাইগঞ্জ ডাল ব্যবসায় সমিতির সভাপতি সুলতান উদ্দিন নান্নু বলেন, বড় মিলারদের কাছে ব্যবসা চলে গিয়েছে। নিতাইগঞ্জের ব্যবসায়ীরা আগের মতো ব্যবসা করতে পারছেন না। বড় মিলার যে রেটে বেঁধে দিচ্ছে, আমাদের সে রেটে পণ্য কিনে এনে স্বল্প লাভে বেচাকেনা করছি।
এনজে