দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আহরণে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পণ্য আমদানিতে বিরাজমান সমস্যার কারণে এ ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, এসব সমস্যা সমাধান করা হলে লক্ষ্যমাত্রার অধিক রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ১০০ কোটি ১১ লাখ টাকা।
বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের তুলনায় ১৫০ কোটি টাকা বাড়িয়ে চলতি অর্থবছর হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বন্দর থেকে ৪২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগস্টে ৪৯ কোটি ৬ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বরে ৪২ কোটি ১৪ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সদ্য সমাপ্ত ২০২১-২২ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয়েছিল ৪২৯ কোটি ৯ লাখ টাকা। এতে ওই অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
এনজে