পুঁজিবাজার নিয়নন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাথে বৈঠক করবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ। যা তারা যতবার আসে, ততবারই করে। এবারও আগের ন্যায় রুটিন সভা করবে। এতে শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস (দর পতনের সর্বনিম্ন সীমা) নিয়ে কোন এজেন্ডা নেই।
আগামী ৭ নভেম্বর বিএসইসির সাথে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়টি সানবিডিকে নিশ্চিত করেছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।
বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, আইএমএফ প্রতিনিধি দল মূলত বাংলাদেশের ফাইন্যান্সিয়াল বিভিন্ন ইস্যুতে মূল্যায়ন করতে এসেছে। আর তারা যখন বাংলাদেশে আসে, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, বিএসইসি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করে। এবারও তারা করবে। এটা রুটিন বা নিয়মিত মিটিং। এখানে শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস নিয়ে কোন এজেন্ডা নেই। তেব কেউ কেউ না জেনেই আইএমএফ ফ্লোর তুলে দেওয়ার দাবি জানাবে বলে গুজব তুলেছে।
একই বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছায়েদুর রহমান বলেন, আইএমএফ প্রতিনিধি দল বিএসইসির সঙ্গে ফ্লোর প্রাইস নিয়ে আলোচনা করবে, এমন কোন এজেন্ডার খবর আমরা পাইনি। অথচ এ জাতীয় খবর গণমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। যা শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
জানা গেছে, বৈঠকে বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, কমিশনার ও নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সাম্প্রতিক বিষয়ে আলোচনা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বিএসইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইএমএফ এর সদস্যরা বন্ড বাজারের উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ, কমপ্লায়েন্স অবকাঠামো এবং বাজারে প্রয়োগের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করবে।
আইএমএফ এর সদস্যদের নের্তৃত্ব দিচ্ছেন রাহুল আনন্দ। গত ২৭ অক্টোবর তারা প্রথম দিন অর্থ বিভাগের বিভিন্ন শাখার সাথে একাধিক বৈঠক করে। ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাবিত ঋণ চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন ভিত্তিক বহুপাক্ষিক ঋণদাতার দলটি গত ২৬ অক্টোবর ঢাকায় এসেছে। এই দলটি আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করবে।
৪.৫ বিলিয়ন প্রস্তাবিত ঋণের জন্য আইএমএফ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছে। সরকারও এর কিছু বিষয় বাস্তবায়ন করেছে।
আইএমএফ হলো- জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত স্বায়ত্তশাসিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন দেশের মুদ্রামানের হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা এর প্রধান কাজ। এই সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ২৯টি দেশ চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল।
পুঁজিবাজারের সব খবর পেতে জয়েন করুন
Sunbd News–ক্যাপিটাল নিউজ–ক্যাপিটাল ভিউজ–স্টক নিউজ–শেয়ারবাজারের খবরা-খবর
সানবিডি/এসকেএস