

যেসব নারী হিজাব পরেন তাদেরকে আমেরিকার দাসত্ব স্বীকার করা নিগ্রোদের সঙ্গে তুলনা করেছেন ফ্রান্সের নারী অধিকারবিষয়ক মন্ত্রী লরেন্স রসিগনল। ফ্রান্সের গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে যারা এ ধরনের ইসলামি পোশাক তৈরি করে তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে সাক্ষাতকারটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সামাজিক যোগাগোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে। একইসঙ্গে বর্ণবাদের অভিযোগে এ মন্ত্রীর পদত্যাগের জন্য একটি ‘পিটিশন’ চালু করা হয়। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই পিটশিনে ১০ হাজার স্বাক্ষর পড়ে।
এরপরে আরেকটি প্রোগ্রামে ইসলামি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি বিষয়ে আলোচনা করতে অতিথি হিসেবে ছিলেন রসিগনল। সেখানে তিনি বলেন, ‘নিগ্রো’ শব্দ ব্যবহার করা তার ভুল হয়েছে। তবে তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার করেননি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তার সমালোচনা করে বলেছেন, রসিগনল বর্ণবাদী আচরণ করেছেন। অথচ এর আগে তিনি নিজেই ‘এসওএস রেসিজম’ নামে একটি বর্নবাদবিরোধী জোট গঠন করেছিলেন।
ইউরোপের মধ্যে ফ্রান্সে সবচেয়ে কম সংখ্যক মুসলিম বসবাস করে। সেখানে ২০১১ সালে ফ্রান্সে আইন করে হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়।