এলএমইতে তামার দাম বেড়ে ছয় মাসের সর্বোচ্চে
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২২-১২-১৫ ০৯:০৩:২৪

বুধবার লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) তামার দাম বেড়ে ছয় মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে উদ্বেগ শিথিল হওয়ায় ধাতুটির বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
মঙ্গলবার মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা গিয়েছে, গত মাসে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার কিছুটা ধীর হয়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ খবর প্রকাশের পর স্বস্তি ফিরেছে বিনিয়োগকারীদের মাঝে। এতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর গতি কমিয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার এলএমইতে তিন মাস সরবরাহ চুক্তিতে তামার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৮ হাজার ৪৯৫ ডলারে। ২৩ জুনের পর এটিই সর্বোচ্চ দাম। ওই সময় ধাতুটি টনপ্রতি ৮ হাজার ৬২৯ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। অন্যদিকে কমেক্সে তামার ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তি মূল্য ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। পাউন্ডপ্রতি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ ডলার ৮৬ সেন্টে।
এদিকে বিশ্ববাজারে ধাতুটির ঘাটতির আশঙ্কা দাম আরো বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক দশকের মধ্যে তামার বৈশ্বিক ঘাটতি ৮০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। শিল্প ধাতুটির চাহিদা অব্যাহত বাড়লেও সে অনুপাতে উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে সম্প্রতি ঘাটতি কমার কিছু সম্ভাবনা দেখা দিলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সম্প্রতি বিশ্বের শীর্ষ তামা উৎপাদন কোম্পানি চিলির কোডেলকো এ তথ্য জানিয়েছে।
কোডেলকো বোর্ডের চেয়ারম্যান মেক্সিমো পাচেকো এক কনফারেন্সে বলেন, চিলি, পেরু ও চীনের তিব্বত অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন প্রকল্পের কারণে সম্প্রতি বিশ্ববাজারে তামা উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে, তা স্বল্পমেয়াদি। এর বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদি যে চাহিদার পরিস্থিতি, তাতে সরবরাহ ফের নিম্নমুখী হয়ে উঠবে। আগামী বছরগুলোয় নতুন নতুন প্রকল্প এলেও কিছু খনি থেকে উত্তোলন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে ১০ বছরের মধ্যে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৮০ লাখ টনে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী বছরগুলোয় বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের জন্য তামার চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে উঠবে। বর্তমান উৎপাদন পরিস্থিতি বা সক্ষমতা এ চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে না।
কোডেলকোর পরিসংখ্যান বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বৈশ্বিক জ্বালানি স্থানান্তরের কারণে ২ কোটি ৫০ লাখ টন থেকে বেড়ে ২০৩২ সালের মধ্যে বছরে গড়ে ৩ কোটি ১০ লাখ টনে উন্নীত হবে।
এ চাহিদা পূরণে চিলিতে অবস্থিত বিএইচপি মালিকানাধীন এস্তোন্দিদার মতো আটটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। এস্তোন্দিদা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তামা উত্তোলন খনি।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













