
ফিউচার মার্কেটে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম কমেছে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বন্যার কারণে দ্বিতীয় শীর্ষ উৎপাদক দেশটিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে পণ্যটির রফতানিও কমেছে লক্ষণীয় মাত্রায়। খবর রয়টার্স।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম ৯১ রিঙ্গিত বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৬০০ রিঙ্গিতে।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এরই মধ্যে মিলার ও প্লান্টাররা পাম অয়েল উৎপাদন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। তার ওপর বন্যা উৎপাদনকে আরো ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। পাম অয়েল রফতানিতে মালয়েশিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্দোনেশিয়া। দেশটি ক্রেতা দেশগুলোকে পাম অয়েল কেনার ক্ষেত্রে নানা সুবিধা দেয়ায় মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের চাহিদা কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কার্গোর তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আইটিএস জানায়, ১-২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৫২ হাজার ৯৯২ টনে। চীনে নিম্নমুখী সরবরাহ রফতানি কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
এনজে