
প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে স্থগিত হওয়া প্রাথমিকের বৃত্তির ফল বুধবার (১ মার্চ) রাতে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এতে মোট প্রাপ্ত বৃত্তির সংখ্যার পরিবর্তন হয়নি। তবে আগের তালিকায় ভুলক্রমে নাম থাকা অনেকেই সংশোধিত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
প্রাপ্যতা ছিল, কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ফলে আগের তালিকায় নাম থাকা অনেকেই বাদ পড়েছেন। সেসব শিক্ষার্থীদের জন্য ফল যাচাই করে দেখার সুযোগ দিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিকেলে এ তথ্য জানান ডিপিই পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. উত্তর কুমার দাশ। তিনি বলেন, বৃত্তির ফল চ্যালেঞ্জ ও পুনঃনিরীক্ষণ করার সুযোগ আইনে নেই। তারপরও এবার যেহেতু অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটেছে তাই আমরা এ সুযোগটি দিতে চাই। কি কারণে তিনি বৃত্তি পায়নি আবেদনকারী ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সংশোধিত ফলে কেউ সংক্ষুব্ধ হয়ে বা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে কিন্তু কোনও তালিকায় নাম আসেনি, তিনি চাইলেও এ আবেদন করতে পারবেন। আমরা তাদের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখবো। দেশে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় বা অধিদপ্তরে এ আবেদন করতে পারবেন বলে জানান তিনি। তবে এটাকে চ্যালেঞ্জ বলা যাবে। এই কর্মকর্তার দাবি, সংশোধিত ফল প্রকাশের পর প্রকৃত মেধাবীদের কোনও অভিযোগ থাকার কথা নয়।
কর্মকর্তারা বলছেন, বৃত্তির ফলের নানা ধরনের কোটা থাকে। এসব কোটার কারণে অনেক অভিভাবক ভাবতে পারে ওই স্কুলের বাচ্চা বৃত্তি পেলে আমর বাচ্চা কেন পাবে না। খোঁজ নিলে জানা যাবে, বৃত্তি না পাওয়া শিক্ষার্থী পৌরসভার মধ্যে কোন স্কুলের, বৃত্তি পাওয়া বাচ্চাটা গ্রামের কোন স্কুলের। এসব বিভ্রান্তি দূর করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এএ