ফেনীতে আলোচিত ৬ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দের মামলায় বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজসহ ছয়জনের ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। অপর ছয়জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং একজনে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ ৫ হাজার টাকা জরিমানার করা হয়।
সোমবার (৬ মার্চ) ফেনীর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ মো. কায়সার মোশাররফ ইউসুফ এ রায় ঘোষণা করেন।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) দ্বিজেন্দ্র কুমার কংস বনিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে- এএসআই মো. মাহফুজুর রহমান, এসআই মো. বিল্লাল হোসেন বেলাল, এসআই মো. আশিকুর রহমান আশিক, সালেহ আহমদ, ফরিদুল আলম ফরিদ কোম্পানি, মো. জাফর কোম্পানির ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, কনস্টেবল মো. শাহীন এস বি শাহীন, মো. আব্দুল মোতালেব মুহুরী, কনস্টেবল কাশেম আলী কাশেম, গিয়াস উদ্দিন গেসুর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। মো. জাবেদ আলীর পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে আটজন উপস্থিত ছিলেন। অপর পাঁচজন পলাতক আছেন।
পলাতক আসামীরা হলেন- আবুল কাশেম কাশেম পুলিশ, আব্দুল মোতালেব মুহুরী, বিল্লাল হোসেন বেলাল, আশিকুর রহমান আশিক, জাফর কোম্পানি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহিদ হোসেন কমল বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট নই। রায়ের বিষয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করছি আমরা ন্যায়বিচার পাবো।
এপিপি দ্বিজেন্দ্র কুমার কংস বণিক বলেন, ১ মার্চ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ সৈয়দ মো. কায়সার মোশাররফ ইউসুফের আদালতে এ মামলার পূর্ণাঙ্গ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রধান আসামি পুলিশের বরখাস্তকৃত এএসআই মাহফুজসহ ৮ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এ মামলায় এএসআই মাহফুজসহ পাঁচজন ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়ে দায় স্বীকার করেন।
আই এইচ