
সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বাজার কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মাছ, মাংস, সবজিসহ দাম বেড়েছে প্রায় সব পণ্যের।
শুক্রবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর শ্যামলী, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই বাজারদর দেখা গেছে।
বাজারগুলোতে দেখা যায়, রুই মাছ প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিঁয়া প্রতি কেজি ২০০ টাকা, পাবদা প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, শিং প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ৩০০ টাকা, টেংড়া প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, পাঙাস প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি কাতল মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, শোল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা কেজি।
মুরগি বিক্রেতারা অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মুরগির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই পাইকারি বিক্রেতারা ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়িয়েছেন কেজিপ্রতি ২০ টাকা।
শ্যামলীর এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, পাইকাররা বলছেন খামারে আজকে মুরগির দর বেশি। সেজন্য তারা কেজিপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে। গতকাল মিটিং হয়েছে, অথচ আজকেই তারা ৫ টাকা বা ৭ টাকা নয়, এক লাফে ২০ টাকা দাম বাড়িয়েছে দিয়েছে। আমি একজন খুচরা বিক্রেতা। দাম বেশি চাইতে গেলে ক্রেতাদের সঙ্গে আমাদের হট্টগোল হয়।
অন্যদিকে শীতের শেষের দিক থেকেই বাড়তি দামে সব ধরনের সবজি বিক্রি শুরু হয়েছে। দুই একটি সবজি ছাড়া কোন সবজিই ৪০/৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। পটল প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, টমেটো প্রতি কেজি ৪০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, করল্লা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, সজনে প্রতি কেজি ২০০ টাকা।
ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, সিম প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, মিস্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৪০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দাম বাড়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। সবকিছুর দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বাজারে মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
এম জি