
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমল ২৪৪ টাকা। এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের এলপিজি কিনতে ১ হাজার ১৭৮ টাকা লাগবে। এত দিন এর দাম ছিল ১ হাজার ৪২২ টাকা।
রোববার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। যা আজ থেকে কার্যকর হবে।
এলপিজি’র নতুন দর ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, ড. মো. হেলাল উদ্দিন, আবুল খায়ের মো. আমিনুর রহমান, বিইআরসির সচিব ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান প্রমুখ।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ডলার ও জ্বালানির সংকটের মধ্যে এলপিজির দাম ওঠানামা করছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিকেজি এলপিজির দাম ১১৫ টাকা ৩১ পয়সা থেকে কমিয়ে ৯৮ টাকা ১৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
১২ কেজি সিলিন্ডার ছাড়াও সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দামই কমানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। তবে সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দামের পরিবর্তন হয়নি। সেটি আগের দাম ৫৯১ টাকাই রয়েছে।
বিইআরসি জানায়, এপ্রিল মাসের জন্য সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের ঘোষিত সৌদি সিপি (কন্ট্রাক্ট প্রাইস) যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টন ৫৫৫ মার্কিন ডলার এবং ৫৪৫ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে।
এদিকে এপ্রিল মাসে অটোগ্যাসের দাম ৬৬ টাকা ২২ পয়সা থেকে কমিয়ে ৫৪ টাকা ৯০ পয়সা করা হয়েছে। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল লিটারপ্রতি ৬৯ টাকা ৭১ পয়সা, জানুয়ারি মাসে ছিল ৫৭ টাকা ৪১ পয়সা, ডিসেম্বরে ছিল ৬০ টাকা ৪১ পয়সা।
একইভাবে বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহারকারীদের এলপিজির দামও কমেছে। রেটিকুলেটেড এলপিজি গ্যাসীয় অবস্থায় জানুয়ারি মাসে প্রতি লিটারের দাম ছিল ০ দশমিক ২২ পয়সা। ফেব্রুয়ারি মাসে বেড়ে হয় ০ দশমিক ২৭ পয়সা। মার্চ মাসে ছিল শূন্য দশমিক ২৫৬৩ পয়সা। চলতি মাসে শূন্য দশমিক ২১১০ পয়সা করা হয়েছে।
এম জি