
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং মূল্যস্ফীতির চাপে চলতি অর্থবছরে (২০২২-২৩) বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বা মোট দেশজ উৎপাদন হতে পারে ৫.২ শতাংশ। এ পূর্বাভাস দিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দেশের অর্থনীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংক এ পূর্বাভাস দেয়। সেখানে বলা হয় চলতি অর্থ বছর বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমবে ১ দশমিক ৫ পয়েন্ট, দাঁড়াবে ৫ দশমিক ২ পয়েন্টে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে ‘স্ট্রং স্ট্রাক্চার রিফর্ম ক্যান হেল্প বাংলাদেশ সাসটেইন গ্রোথ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন।
তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি, কঠোর আর্থিক অবস্থা, আমদানির ওপর বিধিনিষেধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি চলতি বছরে ৫ দশমিক ২ শতাংশ হবে। তবে পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। শক্তিশালী কাঠামোগত সংস্কার বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে বলেও জানান তিনি।
হ্যাভেন জানান, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মধ্যমেয়াদে ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনয়ন ও প্রতিযোগিতার উন্নতি বাংলাদেশকে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জনে সহায়তা করবে। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য শুল্ক ও অশুল্ক বাধা উভয়ই কমানো গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এম জি