
পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল কাদির প্যাটেলের বিরুদ্ধে ১০০০ কোটি রুপির মানহানি মামলা করেছেন বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। এরই মধ্যে প্যাটেলকে মামলার নোটিশও পাঠিয়েছেন তিনি। খবর ডনের।
গত সপ্তাহে (২৬ মে) সরকার ইমরান খানের গোপন মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট সাংবাদিকদের সামনে নিয়ে আসেন। গত ৯ মে গ্রেফতারের পর পুলিশি হেফাজতে তার এই মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। দাবি করা হয়, রিপোর্ট আসার পর তার পায়ে কোনো ফ্র্যাকচার পাওয়া যায়নি।
তবে এই রিপোর্টে তার শরীরে অ্যালকোহল ও ড্রাগের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এদিন সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্যাটেল বলেন, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অনেক বেশি মদ পান করেন। তার পায়ের হাড়ে কোনো ধরনের ফাটল নেই এবং তার মানসিক স্বাস্থ্য স্থিতিশীল নয়।
নোটিশে ইমরান খান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে বলেন। তিনি বলেন, আপনি প্রথমবার যেভাবে আমার সম্পর্কে এসব তথ্য দিয়েছেন ঠিক একইভাবে আপনি সেসব প্রত্যাহার করে নিবেন। এছাড়াও তিনি তাকে ‘ভুল স্বীকার’ করে নিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন।
এরপর ‘ভুল, ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, দূষিত ও মানহানিকর’ তথ্য প্রচারের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল কাদির প্যাটেলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন ইমরান খান।
এছাড়াও নোটিশে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে মানহানি ও মিথ্যা অভিযোগের জন্য ১০০০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চান। তিনি এই অর্থ শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতাল ও গবেষণাগারে দান করবেন বলেও জানান।
এছাড়াও তিনি প্যাটেলকে পরবর্তীতে এ ধরনের মানহানিকর বক্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেন। প্যাটেলকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী যদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ইমরান খানের শর্ত মেনে না নেন তাহলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।
এএ