
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা নিয়োগ ও ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন চাপে থাকেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, এসব চাপের পরও অনেক সহকর্মী উপাচার্যদের অসহযোগিতা করেন। এতে উপাচার্যদের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের এই চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
শনিবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য ও ট্রেজারার ছাড়া অধ্যাপক পদে কেউ নেই। এসব পদ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কত বছর চলবে? এখানে অধ্যাপক তৈরি হতে ১৫ বছর সময় লাগবে। ফলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক দিয়ে একটি পুল গঠন করা যেতে পারে।
এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে পাঠদান নিশ্চিত করা যাবে।
অভিন্ন আর্থিক নীতিমালার গুরুত্ব জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যয় ও আয়ের পার্থক্য থাকতে পারে। তবে খরচের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে আর্থিক বিষয় যারা দেখভাল করেন তাদের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করবে সরকার।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, প্রতিবছর শিক্ষায় বরাদ্দ প্রায় ২ শতাংশ, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। শিক্ষার মানোন্নয়নে বরাদ্দ ৪ শতাংশ বা তার বেশি দিতে হবে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আউটকাম বেইজড বাজেট প্রণয়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য ড. মুহম্মদ আলমগীর, ড. সাজ্জাদ হোসন, ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক আবু তাহেরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামানসহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
এএ