
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, সারা পৃথিবীর মানুষ স্বীকার করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। কিন্তু যারা বাংলাদেশের ভালো চায় না তারা তা মেনে নেয় না। তাই সুযোগ পেলেই মিথ্যাচার করে। এ দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা মরিয়া। আসলে বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বানচাল করতে চায়।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। আর জামায়াত দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত আরেকটা ১৫ আগস্ট চায়। আমার আবেদন থাকবে আপনারা যারা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন, আপনারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবেন।
মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমার সন্তান যেন জয় বাংলা বলে। এ বিষয়ে আমরা যেন উদাসীন না থাকি। পরিবারের লোকজনের বিষয়ে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কি না করেছেন। ১৯৭৫-এর পর মুক্তিযোদ্ধারা পরিচয় দিত না। কেননা পরিচয় দিলে জীবনের হুমকি থাকে কিনা। শেখ হাসিনা এখন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দিচ্ছেন। এই ভাতা আগামী দিনে আরও বাড়বে। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বিনা পয়সায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তাদের কবরকে একরকম ডিজাইনের মাধ্যমে সংরক্ষিত করা হচ্ছে। যেন শত বছর হলেও মানুষ চিনতে পারবে। বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য বীর নিবাস করা হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ অব্যাহত রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের সময় আমরা কত কষ্টে ছিলাম। মুক্তিযোদ্ধারা বাংকারে বাংকারে নিদারুণ জীবনযাপন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে। এর নাম ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’। আমাদের লোকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি বাড়ি যাবে। ৫-৬ মিনিট বক্তব্য রেকর্ড করবে। ৯ মাস কীভাবে যুদ্ধ করেছে এই স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে।
এম জি