বিশ্ববাজারে ১১ বছরের মধ্যে চালের দাম সর্বোচ্চ

অর্থনীতি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২৩-০৮-০৪ ১৮:৩৫:৩৫


সপ্তাহে দু’য়েক আগে বাসমতি ছাড়া সবধরনের চাল রপ্তানি বন্ধ করেছে বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক ভারত। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়ছে খাদ্যপণ্যটির দাম। ইতোমধ্যে তা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে।

ব্যবসাভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহকারী থাইল্যান্ডের প্রতি টন চাল ৬০৭ ডলার ৫০ সেন্টে বিক্রি হয়েছে।

গত ২০ জুলাই চালের রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত। এরপর থাই খাদ্যপণ্য দর ৬২ ডলার ৫০ সেন্ট বেড়েছে। যার বর্তমান বাজারমূল্য ২০১২ সালের মে মাসের পর সবচেয়ে বেশি।

গোটা বিশ্বে মোট চাল রপ্তানির ৪০ শতাংশেরও বেশি করে ভারত। দেশটির পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড। মূলত, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

তবে এবার এল নিনো আবহাওয়ার প্রভাবে এসব দেশে বৃষ্টিপাত কম হতে পারে। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বেড়েই চলেছে।

২০২৩-২৪ শস্য মৌসুম শেষে বৈশ্বিক চালের মজুত কমে দাঁড়াতে পারে ১৭০ দশমিক ৪২ মিলিয়ন টনে। ২০১৭-১৮ মৌসুমের পর যা সবচেয়ে কম। বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় এ নিম্নমুখিতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অদূর ভবিষ্যতে আবহাওয়ার আরও অবনতি হলে মজুত ধারণার চেয়েও বেশি কমতে পারে। এমনটি হলে চালের দাম আরও বাড়বে।

সাধারণত, অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান দরে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে ভারত। এরপর থেকেই বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলছে চালের দাম। এরই মধ্যে তা বিগত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে।

প্রায় ৩ সপ্তাহ আগে চাউর হয়, ভোগ্যপণ্যটি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে ভারত। কেবল এ খবরেই চালের দাম গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়।

এএ