

সম্প্রতি বাসমতি ছাড়া সবধরনের চাল রপ্তানি বন্ধ করেছে বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক ভারত। এতে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যটির দাম গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে উঠেছে। ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এতে বলা হয়, চলতি বছরের গত জুলাইয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) চালের মূল্য সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯ দশমিক ৭ পয়েন্টে। ২০২২ সালের একই সময়ের চেয়ে যা ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আর ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের পর যা সর্বোচ্চ।
এল নিনো আবহাওয়ার কারণে ২০২৩ সালে ভারতে ধানের উৎপাদন কমতে পারে। এ আশঙ্কায় বিগত কয়েক মাস ধরে দেশটিতে চালের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জুলাই তাতে লাগাম টানতে এবং অভ্যন্তরে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভোগ্যপণ্যটি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কেন্দ্রীয় সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিশ্বজুড়ে মোট ৫৫ দশমিক ৬৫ মেট্রিক টন চালের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ২২ দশমিক ৫ টনই ভারতের। বৈশ্বিক সরবরাহের যা ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ। মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) এসব তথ্য জানিয়েছে।
ইউএসডিএ জানিয়েছে, এসময়ে বিশ্বের অন্যান্য বৃহৎ সরবরাহকারী থাইল্যান্ড ৮ দশমিক ৫ মেট্রিক টন, ভিয়েতনাম ৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন এবং পাকিস্তান ৩ দশমিক ৬ মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করেছে।
বৈরি আবহাওয়ায় এসব দেশেও ধানের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়ছে চালের দাম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিগগিরই ভারত বিধিনিষেধ তুলে না নিয়ে খাদ্যপণ্যটির দর আগামী কিছুদিনের মধ্যে কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবে তা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
এএ