আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

আপডেট: ২০২৩-০৮-০৮ ২০:০৯:২২


সামগ্রিক লক্ষ্য অর্জনে আসিয়ান সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও আসিয়ানের মধ্যকার সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সম্পর্ক বাড়াতে হবে।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) ঢাকায় রয়েল থাই দূতাবাসে ৫৬তম আসিয়ান দিবস উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ব্যাপক বৈচিত্র্য, উন্নত সংস্কৃতি ও সীমাহীন ঐতিহাসিক তাৎপর্যের প্রতিনিধিত্ব করছে আসিয়ান। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আঞ্চলিক সহযোগিতা, শান্তি-স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি লালন করে আসছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই জোট।

আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য আসিয়ানের সামগ্রিক বাজারে তাৎপর্যপূর্ণ অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এতে বস্ত্র, ওষুধ, তথ্য প্রযুক্তি, কৃষি, সমুদ্র অর্থনীতি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো খাতগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ খুঁজে বের করা হবে।

শান্তিপূর্ণ উপায় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতভেদ দূর করতে আসিয়ানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশগুলোর মধ্যে ভালো বোঝাপাড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ নিরসন করা সম্ভব।

আসিয়ান কমিউনিটির মূল্যবোধ ও বৈশ্বিকভাবে এ জোটের গঠনমূলক ভূমিকাকে বাংলাদেশে খুবই গুরুত্ব দেয় বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরী প্রভাব ও করোনা মহামারির মতো বৈশ্বিক প্রতিকূলতা মোকাবিলায় জোটের ঐক্য ও সংহতির দিকে নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, পারস্পরিক মর্যাদা, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না-গলানো ও ঐকমত্যের নীতিতে অটল থাকার ওপর নির্ভর করছে আসিয়ানের সফলতার ভিত্তি। বাংলাদেশও এই মূল্যবোধ লালন করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ সম্পৃক্ততায় আমাদের নিজস্ব নীতি রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আসিয়ান ঢাকা কমিটির (এডিসি) প্রধান ফিলিপিন্সের রাষ্ট্রদূত লিও টিটো এল. অওসান, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিরু হারতান্তো সুবোলো প্রমুখ।

এএ