ইন্দোনেশিয়ায় ১৯.৯ শতাংশ কমেছে গম আমদানি
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৩-০৮-০৯ ১১:৩৮:১১

২০২২-২৩ অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ার গমের আমদানি ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৯০ কোটি টনে দাঁড়িয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার টন গম আমদানি হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ার গম রফতানি গন্তব্য দেশগুলোয় চাহিদা কমে যাওয়া অর্থনৈতিক মন্থরতার প্রভাব পড়েছে। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকাশিত গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।
২০২২-২৩ অর্থবছরে গমের মোট ব্যয় ছিল ৯৫ লাখ টন, যা এফএএসের পূর্বাভাস থেকে কম। অস্ট্রেলিয়া ছিল ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ার বাজারের ৪৬ দশমিক ৭ শতাংশ হিস্যা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। এফএএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া গম উৎপাদন করে না। প্রয়োজনীয় গমের জন্য দেশটি একচেটিয়াভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। হাঁস-মুরগির খাবার, মাছ ও গবাদিপশুর খাবারের জন্য দেশটিতে গম ব্যবহৃত হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ফিড মিলগুলোয় গমের ব্যবহার কমে ১১ লাখ টনে পৌঁছেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে মিলগুলোয় ব্যবহার ছিল ১৭ লাখ টন। ইন্দোনেশিয়ার ময়দা শিল্পে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।
বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার পুনরুদ্ধার, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়ে যাওয়া ও জনসংখ্যা বাড়ার কারণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশটিতে ১ কোটি ৫ লাখ গম আমদানির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
কিন্তু এল নিনোর অভিঘাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের চাল উৎপাদন কমে ৫ কোটি ২৯ লাখে দাঁড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৫ কোটি ৩৫ লাখ টন। সরকার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ইন্দোনেশিয়ার ৬০ শতাংশ জমি সেচের মাধ্যমে চাষ করা হয়, বাকি ৪০ শতাংশ চাষ করা হয় বৃষ্টির পানিতে। এল নিনোর কারণে সৃষ্ট খরায় কৃষকরা আরো বেশি করে জলাশয়ের দিকে ঝুঁকে পড়বে।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













