স্মার্টফোন কেড়ে নেয় সেক্স লাইফ

প্রকাশ: ২০১৬-০৬-০৯ ১০:৩৫:৫০


smartphone.Womensআজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে গেছে। স্মার্টফোন ছাড়া যেন জীবন অচল। দিন-রাতের অনেকটা সময় কাটে স্মার্টফোনে। কয়েকজন একসঙ্গে বসলেও ফাঁকে ফাঁকে স্মার্টফোনে নজর না বুলিয়ে পারা যায় না। কিন্তু এই স্মার্টফোন আসক্তি আমাদের জীবনের অনেকটা ক্ষতি করছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। আসুন জেনে নিই কী সেই ক্ষতিগুলো-

সেক্স লাইফ: স্মার্টফোন জীবনের সব কিছুরই সময় কেড়ে নিয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে স্মার্টফোনের নেশায় সেক্স লাইফও অবহেলা করেন। যাতে দূরত্ব বাড়ে সম্পর্কে। শুরু হয় সম্পর্কের টানা-পোড়ন। এক সময় এ দূরত্ব বিচ্ছেদেরও রূপ নেয়। স্মার্ট ফোনের নেশায় প্রিয় মানুষটির সাথে ভাল একটু রোমান্স করতে পারে না ব্যবহারকারীরা।

টেক্সট নেক: ক্রমাগত মাথা ঝুঁকিয়ে টেক্সট করতে করতে টেক্সট নেকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে ঘাড়ের টিস্যুর গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।

বিচ্ছিন্নতা: কোথায় বেড়াতে গেছেন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। অথচ আপনি শুধু স্মার্টফোনে নিজের সঙ্গেই ব্যস্ত। এমনটা হয়? এতে সকলের থেকে আপনি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। যা মানসিক ভাবে আপনাকে ধীরে ধীরে একা করে দেয়।

দুর্ঘটনা: জানেন কি সারা বিশ্বে প্রতি দিন যত দুর্ঘটনা ঘটে তার মধ্যে বেশ কিছু দুর্ঘটনার কারণ রাস্তায় হাঁটাচলার সময় ফোনে কথা বলা।

চোখ: জানেন কি স্মার্টফোন আসার পর থেকে সারা বিশ্বে মায়োপিয়ার প্রকোপ ৩৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে?

ইনসমনিয়া: আমরা প্রত্যেকেই স্মার্টফোন নিয়ে ঘুমোতে যাই। রাতে শোওয়ার সময়ও ফোন চেক করার অভ্যাস ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে ইনসমনিয়ার প্রকোপ বাড়ছে।

নমোফোবিয়া: ফোনের প্রতি এতটাই নির্ভরশীল যে এক ঘণ্টা ফোন না থাকলেই বা হঠাত্ খুঁজে না পেলেই পাগল পাগল লাগে।

আর ফোন ছেড়ে থাকার কথা ভাবতেই পারেন না। এটাও কিন্তু এক ধরনের অসুখ। একে বলা হয় নমোফোবিয়া।

এক্সারসাইজ: ফোনের নেশা সারা দিন আমাদের এতটাই ব্যস্ত রাখে যে বসে বসে ফোনের পিছনেই সময় কেটে যায়। কী ভাবে যে দিনের পর দিন এ ভাবেই কাটিয়ে দিচ্ছি তা নিজেরাই বুঝতে পারি না। এর ফলে চলাফেরা কমে যায়। এক্সারসাইজের অভাবে দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা।

ত্বক: স্মার্টফোনে ব্যবহৃত নিকেল, ক্রোমিয়াম, কোবাল্টের কারণে বিভিন্ন রকম ত্বকের সমস্যা, অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

অবসাদ উৎকণ্ঠা: সঙ্গী কেন উত্তর দিচ্ছেন না? ঠিক কতগুলো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রয়েছি আমি?  এসব অযথা চিন্তায় অকারণ উৎকণ্ঠায় ভোগেন অনেকে। যা অবসাদ ডেকে আনতে পারে।

সানবিডি/ঢাকা/এসএস