

প্রথম দিকে সাড়া পাওয়া না গেলেও শেষ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে। এরমধ্যে ব্যাংক, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান কেউ এককভাবে আবার কেউ যৌথভাবে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে ৯টি ব্যাংক যৌথ উদ্যোগে ‘ডিজি১০ ব্যাংক পিএলসি’ নামে ডিজিটাল ব্যাংক খোলার জন্য আবেদন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানও।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক গণমাধ্যমকে জানায়, ডিজিটাল ব্যাংকের আবেদনের জন্য ওয়েব পোর্টাল খোলা হয়। নির্ধারিত সময়ে ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। যা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে নীতিমালা অনুযায়ী শর্তানুযায়ী লাইসেন্সের জন্য লেটার অব ইন্টেন্ট (এলওআই) দেবে পরিচালনা পর্ষদ।
এর আগে, গত ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ‘ডিজিটাল ব্যাংক’ চালুর অনুমোদন দেয়। পরের দিন এ বিষয়ে নীতিমালা জারি করে। পরবর্তীতে ‘ডিজিটাল ব্যাংক’ জন্য অনলাইনে আবেদন আহ্বান করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক দফা বাড়িয়ে গত ১৭ আগস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদনের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে।
নীতিমালায় অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের কোন শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা কোন স্থাপনা থাকবে না। মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন। তাদের সশরীরে ব্যাংকের কোন শাখায় যেতে হবে না। মোবাইল আর ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারে গ্রাহকদের দেবে ব্যাংক সেবা। এই ব্যাংক লাইসেন্সের জন্য লাগবে ১২৫ কোটি টাকা, পরিচালক হতে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা লাগবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক এই চলবে।
এএ