

অবশেষে মাদক সম্রাট বনেই নাম গেল বলিউড খোদ তারকা মমতা কুলকার্নির। তার দিকে আঙ্গুল আরও স্পস্ট করল ভারতের থানে পুলিশ। ২ মাস তদন্তের পর জানাল, এই অভিনেত্রীকে রেল কর্নার নোটিশ পাঠানো হবে। ইন্টারপোলের কাছে এমন আবেদন জানানো হবে।
সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক খবরে জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ মামলায় এর আগে পুলিশ মমতার স্বামী ভিকি গোস্বামীর নাম জড়ায়। অভিযোগ, মমতা ও তার স্বামী এই চক্রের মুল হোতা।
সম্প্রতি প্রাক্তন বলিউড নায়িকা মমতা কুলকার্নির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব পায় গোয়েন্দা। তাদের অনুমান ছিল, তা মাদক পাচার সূত্রেই জমা পড়েছিল। এরপরই তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে থানে পুলিশ।পুলিশের ভাষ্য, আন্তর্জাতক মাদক মাফিয়া আবদুল্লাহর সঙ্গে আলোচনার জন্য গত ৮ জানুয়ারি কেনিয়ায় যান মমতা। সেখানে কীভাবে ভারতে মাদক আনা যায় সে বিষয়ে কথাবার্তা হয়।
ওই সময় জানানো হয়, অভিনেত্রীর বহুজাতিক ব্যাংকের বদলাপুর শাখার অ্যাকাউন্টে বিদেশ থেকে নিয়মিত মোটা পরিমাণ অর্থ জমা পড়েছে। ওই টাকা থানে ও মুম্বাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ে লগ্নি করা হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের ধারণা, মাদক বেচা টাকাই রিয়েল এস্টেট ব্যসায় লগ্নি করেছেন মমতা। ঘটনায় বলিউডের এক ডিস্ট্রিবিউটার এবং ফাইন্যান্সারকে জেরা করা হয়।
পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং মমতার বিরুদ্ধে তদন্তের খবর স্বীকার করে জানিয়েছেন, ‘আমরা ওঁর ব্যাংক লেনদেনের খতিয়ান পরীক্ষা করে দেখছি। ওই অ্যাকাউন্টে বিদেশ থেকে প্রচুর টাকা জমা পড়েছে। দেখা হচ্ছে ওই টাকা মাদক পাচার বা হাওয়ালা সূত্রে এসেছিল কি না।’ জানা গেছে, অ্যাকাউন্টে এখনও ২০ লাখ টাকা পড়ে রয়েছে।
এদিকে মমতার স্বামী ভিকি সম্পর্কে জানা যায়, আফ্রিকা ও ইউরোপে তিনি বিশাল মাদক চক্র চালান। গোয়েন্দাদের তথ্য মতে, গত এপ্রিল মাসে আমিরশাহির বিশ্বখ্যাত বুর্জ আল খলিফার ৫৪ তলায় মাদক দুনিয়ার এক শীর্ষ বৈঠকে মধ্যস্থতা করেন ভিকি। বলিউড ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে পূর্ব ইউরোপের যোগসূত্র খুঁজতে আপাতত তদন্ত চলেছে।
মমতা কুলকার্নি একজন বলিউড থেকে অবসর নেওয়া জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। মমতার বেশ কিছু বাণিজ্যিকভাবে সফলতা অর্জন করা চলচ্চিত্র রয়েছে; যেমন: আশিক আওয়ারা (