
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে একই পরিবারের পিতা, স্কুল ছাত্র ছেলে ও কলেজ ছাত্রী মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করেছে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের আমবাড়ি পঙ্কজ জয়ধরের ঘর থেকে ৩ দিন পূর্বে টাকা চুরি হয়। ওই চুরির ঘটনায় শুক্রবার রাতে পঙ্কজ জয়ধরের বাড়িকে এক সালিশ-বৈঠক বসায় ইউপি সদস্য ভোলানাথ পান্ডে।
সালিশ-বৈঠকে পাশের বাড়ির সুভাষ হালদারের ছেলে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র চিন্ময় হালদারের কাছ থেকে চুরির কোন মালামাল উদ্ধার করতে না পারলেও তাকে চোর বলে সাব্যস্ত করা হয়।
পরে ইউপি সদস্য ভোলানাথ পান্ডের নেতৃত্বে চিন্ময় হালদারকে শারীরিক নিযার্তন করা হয়। এসময় চিন্ময়ের পিতা সুভাষ হালদার ও বোন কলেজ ছাত্রী মনিকা হালদার বাঁধা দিতে এগিয়ে এল তাদেরকেও শারীরিক নিযার্তন করে গুরুতর আহত করা হয়।
স্থানীয়রা তাদের ৩ জনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে ইউপি সদস্য ভোলানাথ পান্ডে জানান, সালিশ-বৈঠকের সময় চিন্ময় হালদারের কাছ থেকে কোন মালামাল উদ্ধার করা হয়নি। সে পূর্বেও রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে চুরি করেছিল। চুরির বিচার করা হয়েছে। তবে বাবা ও বোনকে নির্যাতনের কোন উত্তর দেননি ওই ইউপি সদস্য।
সানবিডি/ঢাকা/অপূর্ব/আহো