কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুুর্নমিলনী
প্রকাশ: ২০১৬-০৭-১৬ ১৯:০৫:১২

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ঈদ পুর্নমিলনী ২০১৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদের তৃতীয় দিন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বর্তমানে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন অধিবেশনে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শহীদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী মর্তুজা সিদ্দিকী খসরু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রদ্ধেয় অভিভাবক মো. লৎফুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাগীব বর্ষণ ও ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিয়া।
অতিরিক্ত সচিব শহীদুজ্জামান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি আজ অতিথি হয়ে নয়, আমি তোমাদের সতীর্থ হয়েই এখানে আসছি। বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে তোমাদের মতো শিক্ষার্থীদেরকে। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে আগামীতে তোমাদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান অনিক বলেন, বন্ধুত্বের বন্ধনটাকে আজীবন আগলে রাখতেই এ ধরনের আয়োজন করতে আমার ভালো লাগে। আর আমাদের অনেকদিন পরে একত্রিত হবার মাধ্যমটুকু হতে পারে এ পুর্নমিলনী। তাই বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এমন আয়োজন সফল করতে পারলে খুবই ভালো লাগে।
আরেক সংগঠক সদস্য সচিব লুৎফুল্লাহিল পল্লব বলেন, বন্ধুদের মিলনমেলা মানেই কতকগুলো প্রাণের এক হবার গল্প। আর এ পুর্নমিলনী শুধুমাত্র আমাদের একতাকেই প্রকাশ করে না, প্রকাশ করে বন্ধুত্বের টানে আমরা সবসময় এক থাকবো। ভবিষ্যতে আর ভালো কোন আয়োজনের করার আশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার সম্পা বলেন, বহুদিন পরে প্রিয়মুখগুলোকে একত্রে দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সেই বছর দুয়েক আগে একসঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, একপথে চলেছি কিন্তু এখন এগুলো সবই স্মৃতি। তবে আজ এখানে একসঙ্গে সবাই হতে পেরে আমি আয়োজকদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই । ভবিষ্যতেও যেন আমরা এ প্রাণের মেলায় এক হতে পারি। তিনি আরো বলেন , আমাদের স্মরণিকা দেয়া হয়েছে অনুষ্ঠান থেকে আমি বলবো অতীতের আর আজকের স্মৃতিটুকু আজীবন বেঁচে থাক স্মরণিকার পাতায় পাতায়।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিলো র্যাফল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে আবরার গালিবকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
সানবিডি/ঢাকা/হৃদয়/এসএস







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













