২০২৩ কে বিদায় জানিয়ে শুরু হলো ইংরেজি নববর্ষ ২০২৪-এর যাত্রা। রাজধানীবাসী ডিএমপির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই আতশবাজি ও পটকা ফুটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে। রাত ১২টার আগে থেকেই আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। সেই সঙ্গে উড়তে থাকে ফানুস। খোলা স্থানে অনুষ্ঠান করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিধিনিষেধ থাকার পরও আনন্দ-উচ্ছ্বাসে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করা হয়।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে রোববার রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে পুলিশ-র্যাব। রাতে বিভিন্ন সড়কে টহল বাড়ানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ধ্যা ৬টা থেকে জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকেই ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিষ্টি ও নিমকি বিতরণ করা হয়।
ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক মাকসুদুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসের ভেতরে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ করা যাবে না। ফানুস ওড়ানো ও আতশবাজি ফোটানো যাবে না। রাত ১২টায় দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। তারা জানান, ক্যাম্পাস বহিরাগতমুক্ত হওয়ায় তারা বের হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সব সময় ক্যাম্পাস বহিরাগত প্রবেশ সীমিত করা উচিত।
এদিকে গুলশান, বনানী, বারিধারা এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সন্ধ্যা থেকে সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে টহল দিতে দেখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হয়। কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
এনজে