

পর্যটকদের কাছে থাইল্যান্ড মানেই অবাধ যৌনতা। স্বপ্নের হাতছানি! কিন্তু এবার সেই স্বপ্নেই বাঁধ সাজতে চলেছে। দেশের প্রত্যেকটি যৌনপল্লিগুলি এবার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
যে নেশায় পর্যটকেরা ছুটে যান, সেই সমস্ত জায়গাতেই গত কয়েকদিনে লাগাতার অভিযান চালানো হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রকের উদ্যোগে ব্যাংককের বড় যৌনপল্লিগুলোতে এই অভিযান চালায় পুলিশ।
কিন্তু যে ভাবনা নিয়ে পর্যটকেরা সেখানে ছুটে যান, সেই ভাবনা মোটেই ঠিক নয়। কারণ যৌন ব্যবসা থাইল্যান্ডে পুরোপুরি অবৈধ। তবে এরপরেও বেসরকারি হিসেবে থাইল্যান্ডে প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৩০ জন যৌনকর্মী রয়েছে। কিন্তু সবটাই মনে করা হয়। এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে।
ভ্রমণপিপাসুদের কাছে যেখানে থাইল্যান্ড সবথেকে প্রিয়, সেখানে এই অবস্থা কেন? সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, মূলত পর্যটনশিল্পের মানোন্নয়নের জন্যেই এই সমস্ত যৌনপল্লিগুলি বন্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। আর সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান।
সরকারি এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পর্যটকরা যৌনতার জন্য থাইল্যান্ডে আসে না। তারা এখানকার সুন্দর সংস্কৃতির আকর্ষণে আসে। আমরা থাইল্যান্ডে মানসম্মত পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে চাই। আর সেই কারণেই যৌন ব্যবসা বন্ধ করতে চাই।’
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থাইল্যান্ডে যৌন ব্যবসা বন্ধ বেশ কঠিন হবে। কারণ দেশটির অনেক সরকারি আধিকারিক ও পুলিশ এর থেকে আয়ের অংশ পেয়ে থাকেন। এমনকি, পর্যটকদের কাছেও বেশ গ্রহণযোগ্য এখানকার যৌনপল্লিগুলি। ফলে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সানবিডি/ঢাকা/আহো