
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হককে আহ্বায়ক করে ‘আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক ছাড়াও ১৪ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সোমবার নতুন কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে আহ্বায়ক করে ‘সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা হলেন– সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।
এই কমিটিকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তারা হলেন– মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সেনাসদরের চিফ অব জেনারেল স্টাফ, পুলিশ মহাপরিদর্শক, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক, কোস্টগার্ড মহাপরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক। এ ছাড়া এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন।
কমিটির কার্যপরিধি হলো– সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও পর্যালোচনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ পর্যবেক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ এবং এগুলো দূরীকরণে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান, হরতাল, অবরোধ, ধর্মঘট ও জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহতকারী অন্যান্য ঘটনা প্রতিরোধ, এর কারণে জনজীবনে সৃষ্ট দুর্ভোগ ও অচলাবস্থা নিরসনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান, উপর্যুক্ত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য যে কোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সুপারিশ প্রদানের পাশাপাশি জননিরাপত্তা বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে আহ্বায়ক করে ‘সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন সরকারের ১০ মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীরাও থাকবেন কমিটিতে।
কমিটির সদস্যরা হলেন– সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালাম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী আবদুস শহীদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু) এবং যে মন্ত্রণালয়ের কেনাকাটা করা হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী।
ক্রয়সংক্রান্ত এ মন্ত্রিসভা কমিটিকে সহায়তাকারী কর্মকর্তারা হলেন– মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব বা সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ, অর্থ বিভাগের সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ), বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের মহাপরিচালক।
এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিটির বৈঠক প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পরিবীক্ষণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটিকে সহায়তা দেবে। এ বিষয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হলো। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এ কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিব এবং ভারপ্রাপ্ত সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন।
এএ