
‘শীতের তানে ঘর থাকি নিকলীবার পারি না, খুব শীত। কাপড় চোপড়ও কিনতে পারি না, গরীব মাইনষি’ শীতের কাছে এভাবে অসহায় আত্মসমর্পণের কথা বলছিলেন বিধবা জোছনা বালা (৪২)।
উত্তরে জেলা পঞ্চগড়ের প্রতিটি মানুষের কথায় ভেসে আসবে তীব্র শীতের কাছে কতটা অসহায় তারা। এমন শীতার্ত মানুষের মাঝে উষ্ণতা ছড়ালো সামাজিক সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান ডু সামথিং ফাউন্ডেশন।
উত্তরবঙ্গের জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, দিনাজপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি জেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে দুই হাজার কম্বল বিতরণ করেছে ডু সামথিং ফাউন্ডেশন। পুরো শীত জুড়েই উত্তরের জেলাগুলোতে এ কর্মসূচি চালাবে ডু সামথিং।
শীতের কম্বল পেয়ে দরিদ্র মানুষগুলোর মুখে ফুটেছে হাসি। ৭০ বছর বয়সী মজিরন বলেন, খুব এভালো লাগছে এই শীতে কম্বল পাইলাম। রাতের বেলা শান্তি মতো অহন ঘুমাইতে পারব।
ভ্যানচালক হরিপ্রসাদ (৫৫) বলেন, অন্য বছরের চেয়ে এবার শীত বেশি পড়েছে। ঠান্ডায় অবস্থা খুব খারাপ। একটা কম্বলও অনেককিছু ধন্যবাদ তাদের জন্য।
ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক শেখ নাসির উদ্দিন বলেন, দেশের সবচেয়ে বেশী শীত উত্তরের জেলাগুলোতে পড়ে আর দারিদ্র্য মানুষের সংখ্যাও বেশি। তীব্র শীতে মানুষ কতো কষ্ট করে না দেখলে বুঝানো যাবে না। এসব মানুষের জন্য ডু সামথিং মাধ্যমে তাদের জন্য কিছু করতে পেরে ভালো লাগছে।
ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা.নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরই শীতে মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে থাকি। এবছর উত্তরবঙ্গের আট জেলায় এ পর্যন্ত দুই হাজার মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি। শীত যেন বেড়েই চলছে তাই আমাদের এ কর্মসূচি চলবে।
এম জি