
রাজধানীর গুলশান-নিকেতন এলাকা থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান শুরু করে।
অভিযান কালে গুলশান এক নম্বরে তৃতীয় তলা একটি ভবনের নিচতলার কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ও বেকারি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া গুলশান দুই নম্বরের একটি ভবনে থাকা একটি রেস্টুরেন্টও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গুলশান এক নম্বরে তৃতীয় তলা ভবন এসডব্লিউএস কোর এর বাণিজ্যিক অনুমোদন ছিল না। ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ভবনের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পরে গুঁড়িয়ে দেয়।
ওই ভবনের মালিক অভিযোগ করেন, সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর আগেই আকস্মিক অভিযানে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলেন।
তবে অভিযানের নেতৃত্বদানকারী রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ওয়ালিউর রহমান বলেন, রাজউক যে নোটিশ দিয়েছিল, তা নিয়মিত কাজের অংশ। কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কোনো ধরনের নোটিশ প্রয়োজন হয় না।
ওই ভবনের পাশে গুলশান ২ নম্বর সড়কে অননুমোদিত পাঁচতলা আরেকটি ভবনের নিচতলায় ফাস্ট ফুডের দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ওই ভবনের দোতলায় একটি স্পা ও বিউটি পারলার সিলগালা করে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় আগামী ২১ কর্মদিবস ধরে অভিযান চলবে।
রাজধানীর গুলশানে ১ জুলাই হোলি আর্টিজানে হামলার পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা আসে। ৫৫২টি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হবে। এর মধ্যে বেশির ভাগই খাবারের দোকান।