
গত সপ্তাহের (৩১ জুলাই থেকে ৪ আগষ্ট) লেনদেনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবধরনের সূচকে উত্থা্ন হয়েছে। এসময় ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স, শরিয়াহ সূচক, ডিএসই-৩০ সূচক, আর্থিক লেনদেন, মূল্য-আয় (পিই) ও বাজার মূলধন বেড়েছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ সময়ে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৯.৩১ পয়েন্ট বা ০.৮৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৭৭.৫৭ পয়েন্টে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ সূচক ২৩.৬৯ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১.৮৫ পয়েন্ট বেড়েছে।
গত সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে ২ হাজার ২১৬ কোটি ৫২ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ১২ লাখ টাকা।
মোট লেনদেনের ৯২.৯১ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১.৮০ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ৪.৬৯ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০.৬১ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে ৩২৮টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ১৬৪টি’র, কমেছে ১৩২টি’র ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি’র।
গত সপ্তাহের লেনদেনে ডিএসই’র মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত বেড়েছে ০.০৬ পয়েন্ট বা ০.৪১ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে পিই ছিল ১৪.৭৮। যা বর্তমানে রয়েছে ১৪.৮৪ পয়েন্টে।
এ সময়ে বাজার মূলধন বেড়েছে ০.৩৩ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩০২ কোটি টাকায়।
গতসপ্তাহে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ার। এ সময়ে কোম্পানিটি’র ৮১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩.৬৮ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তিতাস গ্যাসের লেনদেন হয়েছে ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩.৪৭ শতাংশ। ৬০ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামি ব্যাংক।
লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- স্কয়ার ফার্মা, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ন্যাশনাল টিউবস, আইপিডিসি।