জামাইবাবু’র হাতে দীর্ঘদিন ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা!

প্রকাশ: ২০১৬-০৮-০৯ ২০:২১:২৭


rape-pic-1শনিবার শেষরাতে হেমতাবাদ ব্লকের ধোয়ারই গ্রামে বাড়ীর মনসা মন্দিরের সামনে নাবালিকার গলার কিছু অংশ কাটা অবস্থায় পাওয়া যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়ে হয়েছিল রহস্য। সেই রহস্যের যে তথ্য সামনে আসছে তা হার মানাবে সিনেমার গল্পকেও।

সোমবার শিলিগুরিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধোয়ারই গ্রামের সেই নাবালিকা জন্ম দিয়েছে সন্তানের। রহস্যের এমন টুইস্টের সাথেই প্রকাশ্যে এসেছে নাবালিকাকে খুনের চেষ্টার মূল অভিযুক্তের নাম। সে আবার বাইরের কেউ নন, সেই পরিবারেরেরি এক সদস্য। কিশোরীর জামাইবাবু। হেমতাবাদ ব্লকের একি গ্রামে বাড়ি অভিযুক্ত জামাইবাবুর নাম গোপাল প্রসাদ। সে মালদার গাজোলে এই উচ্চ বিদায়ালয়ের শিক্ষক বলে প্রতিবেশী সুত্রে খবর।

উল্লেখ্য , গত শনিবার শেষরাতে হেমতাবাদ ব্লকের ধোয়ারই গ্রামে বাড়ির মনসা মন্দিরের সামনে গলার কিছু অংশ কাটা আবস্থায় এক নাবালিকাকে উদ্ধার করে প্রথমে হেমতাবাদ ব্লক প্রাথমিক হাসপাতাল পড়ে রায়গঞ্জ হাসপাতলে পাঠানো হয় । অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পরে শিলিগুড়ি পাঠানো হয়। শিলিগুড়িতে এক নার্সিং-হোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক কন্যাসন্তানের জন্মদেয় সে। এর পরি গোটা ঘটনা পরিবারের কাছে পরিষ্কার হয়েযায় বলে সুত্রের খবর।

পেশায় শিক্ষক জামাইবাবু নিজের কুকীর্তি ধামাচাপা দিতেই শ্যালিকাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে হেমতাবাদ বাসিদের মধ্যে।

সোমবার সন্ধ্যায় হেমতাবাদ থানায় নিজ জামাই গোপাল প্রসাদের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্তের শ্বশুর তথা নাবালিকার বাবা শম্ভু প্রসাদ।

তাঁর অভিযোগ , ছোট মেয়ে জামাইবাবুর লালাসার শিকার। মেয়ে গর্ভবতী হয়েছে জানতে পেরে শনিবার রাত্রে শালিকে হত্যার চেষ্টা করে জামাইবাবু।

অপর দিকে এই অভিযোগের কথা প্রকাশে আসতেই গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত গোপাল প্রসাদ। অপর দিকে অভিযোগ হাতে পাবার পর থেকেই হেমতাবাদ থানার পক্ষ থেকে অভিযুক্তের খোজ শুরু হয়েছে বলে জানান হেমতাবাদ থানার ওসি মনোজিত দাস।

সানবিডি/ঢাকা/আহো