
সম্প্রতি বিএনপির ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটির আকার পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন করে নির্বাহী কমিটির সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হলেও দলটির দায়িত্বশীল কোন মহল এ বিষয়ে কিছু জানেন না।
দলের একটি মহল রাতের অন্ধকারে এ ধরনের অপকর্ম করছেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান।
বিএনপি সূত্র জানায়, ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের প্রায় সাড়ে চার মাস শেষে ৫১৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করে দলটি। এর মধ্যে ১৭ জন স্থায়ী কমিটির সদস্য বাদ দিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্য ৫০২ হলেও বৃহস্পতিবার তা বেড়ে ৫০৩ জন হয়েছে।
নতুন সংযোজিত এ সদস্য হলেন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্যগন (নতুন) অংশে তার ক্রম তালিকা ৫৫। অথচ সংবাদ মাধ্যমে সরবরাহকৃত কমিটির তালিকায় তার কোন নাম ছিলো না।
এ বিষয়ে মোবাশ্বের আলম বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির জনৈক সিরাজুল ইসলামকে উপদেষ্টা পরিষদে নিয়ে যাওয়ার কারণে শূন্যপদে আমাকে নেয়া হয়েছে।
দলের সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, যশোর এলাকার নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুল হুদা কমিটি থেকে চলে যাওয়ার কারণে তার শূন্যস্থানে মোবাশ্বেরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার তথ্য সংবাদ মাধ্যমে দেয়া হয়নি জানালে তিনি বলেন, কমিটি ঘোষণার আগেই এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানানোর দরকার হয়নি।
তবে অ্যাডভোকেট কাজী নুরুল হুদা জানান, তিনি কমিটি থেকে কখনোই ইস্তফা দেন নাই। তিনি কেন্দ্রীয় কমিটিতে আগেও ছিলেন, এবারের ঘোষিত কমিটিতেও তার নাম রয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আমাদের ঘোষিত কমিটিতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নামের কোন সদস্য নাই। যারা এ ধরনের কথা বলছেন তারা ভুল বলছেন বলেও তিনি জানান।
এদিকে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, গুলশান কার্যালয়ের এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার ইচ্ছায় সবার অগোচরে এরকমভাবে কমিটির সদস্য রদবদল হচ্ছে। তার সঙ্গে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ভালো সম্পর্ক থাকার কারণেই তিনি রাতের অন্ধকারে কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও সূত্রটি জানায়।
সানবিডি/ঢাকা/আহো