দুই বোন মিলে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

প্রকাশ: ২০১৬-০৮-১৪ ১১:৪৬:৩৩


Twosisteটানা ১৪ বছর ধরে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে আসছেন ইংল্যান্ডের দুই নারী। তারা সম্পর্কে দুই বোন এবং দুজনই বাকপ্রতিবন্ধী। একজন জুলি ফেলোস; তার বয়স ৩০ বছর। আরেকজন জেনিফার বয়স ৩২ বছর। এমন ঘটনার জন্য দেশটির আদালত বিচার চলছে এই দুইবোনের।

২০০০ সালে ওই দুই বোন শিশুটির উপর যৌননির্যাতন শুরু করেন। একদিন একটি পেট্রোল পাম্পের টয়লেটের ভেতরে ডেকে নিয়ে জুলিয়া ওই শিশুর সঙ্গে বিকৃত যৌনমিলন করে। এ বিষয়টিকে নিয়ে তারা শিশুটিকে বুঝান, এটা একটি সাধারণ বিষয়। প্রত্যেক নারী-পুরুষ এ কাজ করে থাকে। এতে তার কোনো ক্ষতি হবে না বলে ওই শিশুকে তারা প্রচোরিত করেন।

এরপর প্রায় ১৪ বছর ধরে সেই শিশুকে বিভিন্ন জায়গায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণসহ বিভিন্ন যৌননির্যাতন করে আসছেন তারা। শিশুটির বয়স এখন ২০ বছর। কয়েক বছর আগে শিশুটি তার বন্ধুদের সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করে। তখন বন্ধুরা তাকে বলেন, এসব করা ঠিক নয়। এতদিন সে যা করে এসেছে তা খুবই খারাপ কাজ। সব শুনে শিশুটি আত্ম সমালোচনায় ভুগেন এবং এসব না করার জন্য মন্তব্য করেন।

এদিকে জুলি ফেলোস ও জেনিফার তাকে আবার তাদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে প্ররোচিত করেন। তবে বহুদিনের অভ্যাস ও সম্পর্ক সহজে ভুলা সম্ভব নয়। এক সময় নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন শিশুটি। অবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে পুলিশের কাছে সবকিছু খুলে বলেন। পুলিশ একটি মামলা করে দুই বোনকে আদালতে হাজির করে।

আইনজীবী সিমনস ফিলিপস বলেন, “ছয় বছর বয়সী বালকের সঙ্গে গুরুতর অপরাধ করেছেন দুই বোন। অনেকবার টেক্সাকো গ্যারেজে ও সেটির টয়লেটের ভেতরে নিয়ে নানা ভাবে যৌননির্যাতন করেছেন। একবার নয়, পুরো ১৪ বছর ধরে তারা এই অপরাধ কর্ম করে আসছে শিশুটির সঙ্গে। জুলি ও জেনিফার অনেকবার তার শরীরের হাত দিতে বাধ্য করেছে এবং তারাও সে শিশুর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়েছেন। বিভিন্ন সময় বাড়িতে ডেকে নিয়ে যৌননির্যাতন করেছেন তার প্রমাণও আমাদের কাছে আছে।”

বিচারক রবার্ট জোকস বলেন, “এটি একটি জটিল মামলা। আমরা এই মামলার জন্য এক তাৎপর্যপূর্ণ রায় আশা করছি।”

সানবিডি/ঢাকা/এসএস